সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২রা কার্তিক ১৪২৬ | ১৭ অক্টোবর ২০১৯

মাক্রোঁকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিলো ফরাসিরা

সোমবার, মে ৮, ২০১৭

1905277799_1494186645.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিন বছর আগেও যিনি ছিলেন প্রায় অচেনা সেই ইমানুয়েল মাক্রোঁকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিলো ফরাসিরা। অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই ভোটের লড়াইয়ে ডানপন্থি মারিন লো পেনের হারে হাঁফ ছাড়ল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

রোববার অনুষ্ঠিত ভোটের ফলের আভাস দিয়ে বিসিসি, রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, ৩৯ বছর বয়সী ইমানুয়েল মাক্রোঁই হতে চলেছেন ফ্রান্সের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট। বিপ্লবোত্তর ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন সাবেক এই ব্যাংকার।

এই জয়ের পথে আরেকটি ইতিহাসও গড়তে যাচ্ছেন মাক্রোঁ, তা হল প্রধান দুই রাজনৈতিক ধারার বাইরে তিনিই প্রথম যিনি ইউরোপের প্রভাবশালী এই দেশটির রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যে গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় আসার পরের বছরের এই নির্বাচনেও একই দাবী তুলেছিলেন মাক্রোঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কট্টর ডানপন্থি মারিন লো পেন। অভিবাসন বিরোধিতার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ফ্রান্সকে গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন ন্যাশনাল ফ্রন্টের নেতা পেন।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মধ্যপন্থি মাক্রোঁ।

গত মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটে কেউ ৫০ শতাংশের ভোট বেশি না পাওয়ায় এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থী মাক্রোঁ ও পেনের মধ্যে রোববার রানঅফ ভোট হয়।

রাত ৮টায় ভোট শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রকাশিত তিনটি বুথফেরত জরিপে দেখা যায়, মাক্রোঁর পক্ষে ৬৫ শতাংশের বিপরীতে লো পেন পেতে চলেছেন ৩৫ শতাংশ ভোট।

প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া অলান্দের সরকারে দুই বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মাক্রোঁ এই প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন।

জয়ের আভাসে মাক্রোঁ বলেন, “আমাদের সুদীর্ঘ ইতিহাসে একটি নতুন পাতা খুলল আজ রাতে। আমি এটাকে জনগণের আশা ও আস্থায় রূপান্তর ঘটাতে চাই।”

দেশে বাম-ডান শিবিরের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়তে চান মাক্রোঁ। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী লো পেনই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে কট্টর-ডানপন্থিদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি, যিনি একটি দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্যতম ফেভারিট প্রার্থী হতে পেরেছেন। উগ্রপন্থি এই প্রার্থী ইইউর একক মুদ্রা ইউরো ত্যাগ এবং সীমান্ত বন্ধ করে অভিবাসীদের আগমন বন্ধ করার কথা বলেছিলেন।

মাক্রোঁর সব কর্মসূচির সঙ্গে সবাই একমত না হলেও প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার লো পেনকে ঠেকাতে তাকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন জরিপে উঠে আসে।

ঢাকা, সোমবার, মে ৮, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // ই নি এই লেখাটি ৪৬৪৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন