সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ

বুধবার, মে ১৭, ২০১৭

122939083_1494963590.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। বিদেশী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের পূর্ব পুরুষরাও ছিলেন তীব্র প্রতিবাদী। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ বা পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধেও ছিলেন শক্ত অবস্থানে। ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে আজ থেকে ৩৬ বছর আগের এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ‘মরণ ফাঁদ ফারাক্কা বাঁধ’ অভিমুখে হাজার হাজার মানুষের লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

৩৬ বছর পূর্বের লংমার্চ আজ নতুন করে আবার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবাইকে দলমত নির্বিশেষে দেশ রক্ষার জন্য আন্দোলনে না নামলে ৩৬ বছর কেন ৩৬ হাজার বছর চলে গেলেও ভারতের পাননি আগ্রাসন থেকে বাঁচা যাবে না।

টিপাই মুখে বাঁধ হলে সিলেট সহ বাংলাদেশের অনেক জেলা পানির জন্য হাহাকার করতে হবে। আবার সেই বাঁধ যদি নির্মান হয় আর কোনো দিন ফাটল ধরে তখন সিলেট সহ আশেপাশের অনেক জেলা পানিতে তলিয়ে যাবে।

ভারত শুধু ফারাক্কা বাঁধই নয়, বাংলাদেশমুখী অর্ধশতাধিক নদীর পানি সরাসরি প্রত্যাহার করে চলেছে। এসব নদী এবং এর উপনদীগুলোর ওপর ভারত ৩ হাজার ৬ শ’টি বাঁধ বেঁধে ফেলেছে এবং আরো ১ হাজার বাঁধের নির্মাণ কাজ চলছে।

জানা যায় পদ্মা-যমুনা তথা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বেসিনে ভারত অর্ধশতাধিক মূল সেচ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণ করছে তার প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের শত শত নদী ও খালবিল পর্যায়ক্রমে পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় এমনকি মেঘনা ও তার শাখাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এর ফলে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের কিছু এলাকা ছাড়া বাকি বৃহত্তর রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০টি জেলার ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকার প্রায় ৭ কোটি অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক লোকই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লাখ লাখ হেক্টর কৃষি জমি হারাতে বসেছে আবাদের যোগ্যতা। ভাসানীর মত এখনও প্রতিবাদ করতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল শাহীন
শারজাহ, ইউএই থেকে।

ঢাকা, বুধবার, মে ১৭, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জেড ইউ এই লেখাটি ১১১২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন