সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ২০ নভেম্বর ২০১৮

লন্ডনের রাস্তায় বন্ধ হচ্ছে উবার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭

1696755386_1506088164.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
চলতি মাসেই যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অ্যাপভিত্তিক ট্যাক্সি সেবা নেটওয়ার্ক উবার বন্ধ হচ্ছে। লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষ উবারের নিবন্ধন নবায়ন না করায় ৩০ সেপ্টেম্বরের পর এই সেবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। উবারের চলতি নিবন্ধনের মেয়াদ রয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, লন্ডনে উবারের লাইসেন্সের মেয়াদ চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে শেষ হচ্ছে। তবে উবার কর্তৃপক্ষ ট্রান্সপোর্ট অথরিটির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে এবং তার নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত লন্ডনে উবারের ট্যাক্সি সেবায় বাধা নেই।

এদিকে উবার বলেছে, শিগগিরই এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে তারা। উবারের দাবি, ২০১২ সালে লন্ডনে উবার চালু হওয়ার পর বর্তমানে প্রায় ৩৫ লাখ যাত্রী এই সেবা নিচ্ছে। ৪০ হাজার চালক এই সেবার সঙ্গে জড়িত।    

লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিই আমাদের কাছে সবার আগে। ভাড়া করা গাড়ি দিয়ে পরিবহন সেবা পরিচালনাকারীদের কিছু নিয়মনীতি মানতে হয়। তাদের দেওয়া সেবা পর্যালোচনা করে লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিবন্ধ নবায়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। উবার বেশ কিছু দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে যেগুলো জনগণের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই উবারের নিবন্ধন নবায়ন করা হচ্ছে না।

এই সেবার জন্য উবারের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সি নেই। ব্যক্তিগত গাড়ি আছে এমন যে কেউ অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধনের মাধ্যমে উবারের চালক হয়ে যেতে পারেন। একই অ্যাপ ব্যবহার করে সেবা নেন যাত্রীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ফ্র্যান্সিসকোভিত্তিক অনলাইন ট্র্যান্সপোর্টেশন নেটওয়ার্ক কোম্পানি উবারের দাবি, বিশ্বের ৭৪টি দেশের ৪৫০টি শহরের মানুষ তাদের অ্যাপ ব্যবহার করে ট্যাক্সিতে চড়ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হলেও বিভিন্ন দেশে আইনি জটিলতা ও সমালোচার মুখে পড়তে হয়েছে উবারকে। লন্ডনেও উবারের কাজের ধরন ও শর্ত নিয়ে বিভিন্ন  শ্রমিক ইউনিয়ন, ব্ল্যাক ক্যাবের চালক ও আইনপ্রণেতাদের আপত্তি রয়েছে।  

লন্ডনে উবারের মহাব্যবস্থাপক টম এলভিজ বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তে লন্ডনের ৩৫ লাখ ব্যবহারকারী ও ৪০ হাজার চালক স্তম্ভিত হয়ে গেছেন। আমাদের নিষিদ্ধ করতে চাওয়ার মাধ্যমে পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও লন্ডনের মেয়র সেই ছোট গোষ্ঠীর কাছে নতি স্বীকার করেছেন—যারা কিনা ভোক্তাদের পছন্দ করার ক্ষমতাকে সীমিত করতে চান।

লন্ডনবাসী সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী একটি পরিবহন সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।’ ‘অপরাধমূলক কোনো কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আমরা সব সময়ই নিয়ম মেনে চলি। এ ব্যাপারে আমাদের একটি বিশেষ দল নগর পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে।’

ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ১৯৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন