সর্বশেষ
শুক্রবার ৮ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২২ জুন ২০১৮

ক্যারিয়ারে সফলতা পেতে হলে যা করবেন

বুধবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৭

1385424877-1749.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

জীবনের একটি অংশ ভালোভাবে লেখাপড়া করে ছাত্রজীবন শেষ করা। এরপরে ভালো একটা চাকরি বা ব্যবসাকে পেশা হিসাবে নির্বাচন করতে হবে। এর উপরে জীবনের অনেক বিষয় নির্ভর করে। তাই নিজেকে একজন সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অনেকে মরিয়া হয়ে উঠেন।

বিশেষ করে তরুণরা ক্যারিয়ারে কিছু সাধারণ ভুল করে থাকে। আমাদের এবারের আয়োজন তরুণ-তরুণীদের উদ্দ্যেশে কয়েকটি বিষয় আলোচনা হবে। ক্যারিয়ারের শুরুতে করা কিছু ভুলের কারণে অনেকে ক্যারিয়ারে পান না কাঙ্খিত সফলতা। আসুন জেনে নিই কিছু ভুলের কথা, যা অধিকাংশ তরুণ কর্মীই করে থাকেন।

স্পষ্ট কথা বলার অভ্যাস :
একটি অনুষ্ঠানে আপনাকে কিছু বলতে বলা হলো। আপনি সংকোচে জড়োসড়ো হয়ে গেলেন। আপনি বার বার কথা বলতে আপনার অনিচ্ছার কথা জানাচ্ছেন। এমনটা কখনোই করবেন না। এই সুযোগটা কাজে লাগান। আত্মবিশ্বাসের সাথে কিছু বলুন। এতে সহকর্মীদের মাঝে আপনার অবস্থান শক্তিশালী হবে। এছাড়া কোনো বিষয়ে আপনার মতামত চাওয়া হলে নিঃসংকোচে তা ব্যক্ত করুন। আপনার আত্মবিশ্বাসী মনোভাব আপনাকে সবার মাঝে অনন্য করে তুলবে।
 
আপনি চাকরিতে নতুন যোগ দিয়ে থাকলে প্রতিষ্ঠানের কাছে আপনাকে উপস্থাপন করার এখনই সময়। কিন্তু অনেকে এই সময়ে কিছু ভুল করেন। ফলে ক্যারিয়ারে পান না কাঙ্খিত সফলতা। আসুন জেনে নিই কিছু ভুলের কথা, যা অধিকাংশ তরুণ কর্মীই করে থাকেন।
 
ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক তৈরি করুন :
একজন ডেডিকেটেড কর্মী হিসেবে কঠোর পরিশ্রম অবশ্যই আপনার পেশাগত সাফলের জন্য আবশ্যক। তবে পেশাগত সম্পর্ক আপনার পদোন্নতি কিংবা নতুন কাজ পাওয়ার জন্য খুবই জরুরি। এটা কর্মজগতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক নতুন চাকরিজীবী এক্ষেত্রে অনাগ্রহী থাকেন। এক্ষেত্রে আপনার বিষয়টি দেখাশোনা করেন এমন ঊর্ধ্বতন কর্তাদের কাছে ক্যারিয়ার সম্পর্কে পরামর্শ চাইতে পারেন। আর এর মাধ্যমেই তার সাথে সম্পর্কটি শুরু হতে পারে।

সঠিক সময়ে অফিসে আসুন :
আপনি অফিসে কঠোর পরিশ্রম করেন। বাসায় গিয়ে অতিরিক্ত কাজও করে দেন। কিন্তু আপনি যদি প্রায়ই অফিসে দেরি করে আসেন তাহলে আপনি অলস হিসেবে চিহ্নিত হতে পারেন। সবাই সাধারণত দেখে কে অফিসে আগে আসল, আর দেরিতে গেল। তাই অফিসে যত ভালো কাজই করেন না কেন তা চাপা পড়ে যাবে আপনার দেরি করে আসায়। প্রতিষ্ঠানে আপনার খ্যাতি হবে বিনষ্ট। আর প্রতিষ্ঠানে আপনার অগ্রগতির জন্য পেশাগত সুখ্যাতি খুবই প্রয়োজন।

কর্মক্ষেত্রে গল্প নয় :
সহকর্মীদের সাথে গল্প করা বা আড্ডায় অংশ নেয়া হতে পারে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি উপায়। তবে এমনটা কখনো অফিসে করা উচিত হবে না। কারণ এর মাধ্যমে সহকর্মীদের সাথে আবার বিরোধও সৃষ্টি হতে পারে। কেউ গল্প বা কারো বিষয়ে কিছু বলতে আসলে নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করুন। আর কারো সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে আড্ডা দিতে চাইলে অফিসের বাইরে কোথাও বসুন।

ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক :
একজন ডেডিকেটেড কর্মী হিসেবে কঠোর পরিশ্রম অবশ্যই আপনার পেশাগত সাফলের জন্য আবশ্যক। তবে পেশাগত সম্পর্ক আপনার পদোন্নতি কিংবা নতুন কাজ পাওয়ার জন্য খুবই জরুরি। এটা কর্মজগতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

সঠিক মাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হোন :
অতি মাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হওয়া তরুণ চাকরিজীবীদের একটা সাধারণ সমস্যা। এটা অনেক সময় আপনার সিনিয়রদের হজম করতে সমস্যা হতে পারে। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি এখন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্নিল গণ্ডি পেরিয়ে এসেছেন। এখন আপনাকে হতে হবে নমনীয় ও বিনয়ী। কোম্পানিতে আপনার অবস্থানের কথা মনে রাখতে হবে। অফিসের সব কাজই যে আপনি জানেন বা পারেন এমন মনোভাব থাকা উচিত নয়। কারণ এটা আপনার পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হতে পারে।


ঢাকা, বুধবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৯২৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন