সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রোহিঙ্গা হত্যার কথা স্বীকার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১১, ২০১৮

3.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যার কথার স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

গত বছরের শেষ দিকে থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ ও নিপীড়ন চালানোর পর এই প্রথম হত্যাযজ্ঞ চালানোর তথ্য স্বীকার করলো সেনাবাহিনী। যদিও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতনের কথা বলে আসছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার কিংবা সেনাবাহিনী বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
 
গতকাল বুধবার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, রাখাইনের একটি গ্রামের গণকবরে পাওয়া ১০ জনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা। নিহতরা বৌদ্ধদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। তাদের প্রতিহত করতে পাল্টা হামলা চালালে তারা নিহত হন। তাদেরকে 'বাঙ্গালি সন্ত্রাসী' বলে দাবি করে সেনাবাহিনী। রাখাইনের ইন দিন গ্রামে একটি সমাধিস্থলে পাশে গত ডিসেম্বরে গণকবরটির সন্ধান মেলে।
 
বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এটা সত্য যে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা তাদের হত্যার কথা স্বীকার করেছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং যারা আইনের অপব্যবহার করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। এই ঘটনা তখনই ঘটে যখন বৌদ্ধরা হুমকির সম্মুখীন হন এবং তাদের উস্কানি দেওয়া হয়।
 
সেনাপ্রধানের আরো বলে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ইন দিন গ্রামে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। একজন রাখাইনকে হত্যার পর নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিচার্ড হরসে বলেন, এটা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাক লাগানো স্বীকারোক্তি।
 
মিয়ানমার সেনাপ্রধান এবং দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি বারবারই বলেছেন, রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির জন্য তারা রোহিঙ্গা জঙ্গিদের ওপর দায় চাপিয়ে আসছেন। এর ফলে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৩৬০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন