সর্বশেষ
রবিবার ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ | ২৭ মে ২০১৮

৮৭ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে বাণিজ্য মেলায়

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৮

13_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

এক মাস ৪ দিন চলার পর শেষ হলো ২২তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। গতকাল রোববার শেষ দিনেও মেলার মাঠে ক্রেতার ঢল নেমেছিল।

সকাল থেকে রাত অবধি ছিল কেনাকাটার ধুম। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা নিজেদের দৈনন্দিন ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি, আসবাব, প্রসাধনী, শীতের কাপড়, শাড়ি, খাবার, হস্তশিল্প, জুয়েলারি সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য কেনে বাড়ি ফেরেন।

বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) এ মেলা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩১ জানুয়ারি। ব্যবসায়ীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বোনাস মেয়াদ হিসেবে চার দিন বাড়ানো হয়।

এদিকে গতকাল মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে ইপিবি জানিয়েছে, ২৩তম আসরে ২০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ১৬৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা) রপ্তানি আদেশ এসেছে। আগের বছরের তুলনায় এবার ৮.৭১ মিলিয়ন ডলার আদেশ বেশি এসেছে। এ ছাড়া মেলায় বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকার পণ্য। গত বছর রপ্তানি আদেশ ছিল ১৭.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৪৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা)।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকায় বাণিজ্য মেলা সফল ও সার্থক হয়েছে। রাজধানীর পূর্বাচলে ২০ একর থেকে উন্নীত করে ৩৫ একর আয়তনের জায়গায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ২০২০ সালের মধ্যে মেলা সেখানে স্থানান্তর করা হবে।

বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু বলেন, পণ্যের পাশাপাশি আমাদের সেবা রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে। এখন অনেক কম্পানিই আসছে যারা সেবা গ্রহণ করতে চাচ্ছে। আমরা সেবা রপ্তানির ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য স্তরে পৌঁছাতে পারব।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশে আমরা ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ দেখতে চাই। কোনো ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ দেখতে চাই না। দেশে এখন উন্নয়নের জোয়ার বইছে। আগামী বছর হয়তো নিজস্ব জায়গায় ৩৫ একর জমিতে মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ভবিষ্যতে আরো সফল ও সার্থক মেলা দেখার প্রত্যাশা করছি।

প্রতিবারের মতো এবারের মেলায় সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল ও প্যাভিলিয়নের মধ্যে ৪৪ প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে আকিজ সিরামিক লিমিটেড, দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে যৌথভাবে মিনিস্টার, ওয়ালটন ও আখতার ফার্নিচার লিমিটেড। তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে যৌথভাবে আবুল খায়ের মিল্ক প্রডাক্টস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড।

এবারের মেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৫৮৯টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন অংশ নেয়।


ঢাকা, সোমবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৯২২ বার পড়া হয়েছে