সর্বশেষ
সোমবার ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৫ | ১৮ জুন ২০১৮

পুড়ে গেলে চটজলদি যা করতে হবে

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

untitled-26_109388.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

রান্না করতে গিয়ে কিংবা যে কোনোভাবেই আপনি আগুনে দগ্ধ হতে পারেন। ঘরে ফাস্টএইড না থাকলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগ পর্যন্ত যে পরিমাণ জ্বালা-পোড়া সহ্য করতে হয়, সেটা অনেক কষ্টের। তাই তাৎক্ষণিক জ্বালা-পোড়া কমানোর জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়।

ঠান্ডা পানি: কোথাও পুড়ে গেলে প্রথমেই সেখানে খুব ভালো করে ঠান্ডা পানি ঢালুন। কিন্তু, মনে রাখবেন কখনোই বরফ ঘষা যাবে না। এতে আরও বেশি ক্ষত হবে।

অ্যালোভেরা: পুড়ে যাওয়া স্থানে অ্যালোভেরার জল লাগান। জ্বালা-পোড়া কমে যাবে এবং ঠাণ্ডা অনুভব হবে। অ্যালোভেরার রস ক্ষত শুকাতে অসাধারণ কাজ করে।

দই: দই বা কাচা দুধ ক্ষতের জ্বালা-পোড়া দ্রুত কমিয়ে দেয়। পুড়ে যাওয়া জায়গায় ৩০-৪০ মিনিট দই দিয়ে রাখুন। এতে জ্বালা-পোড়া তো কমবেই, ফোসকা না পড়াতে সাহায্য করবে।

মধু: মধু এন্টিসেপটিক হিসেবে দারুণ কাজ করে। পুড়ে যাওয়ার সাথে সাথে মধু লাগাতে পারলে জ্বালা-পোড়া অনেক কমে যাবে। সঙ্গে পোড়া দাগও হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

টুথপেস্ট: টুথপেস্ট শুধু দাঁত মাজার ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয় না। পুড়ে যাওয়া স্থানে টুথপেস্ট লাগালে উপকার পাবেন শতভাগ।

কলার খোসা: কলার খোসা জ্বালা-পোড়া কমাতে খুবই উপকারি। পুড়ে যাওয়া স্থানে কলার খোসা এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।

অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েলও পোড়া ঘায়ের জন্য বেশ উপকারি। পোড়া ঘা শুকানোর সময় চামড়া টানটান করে, এ সময় অলিভ অয়েল দিলে চামড়া মসৃণ থাকে। কষ্ট কম হয়। চাইলে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারবেন।


ঢাকা, সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১৮৬৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন