সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৫ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘নেপালে নেমেই ফোন করবো’

সোমবার, মার্চ ১২, ২০১৮

chalbazz_1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে থাকা যাত্রীদের খোঁজ পাচ্ছেন না স্বজনরা। এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা নেপালে যোগাযোগ করছেন, খোঁজ পেলে জানানো হবে।

রাজধানীর শুক্রবাদের বাসিন্দা এনজিও কর্মকর্তা রফিক জামান রিমু ও তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা এই ফ্লাইটে নেপাল যান। তাদের সঙ্গে ছিল সাড়ে সাত বছর বয়সী ছেলে অনিরুদ্ধ। বিপাশার স্বজনরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় তারা হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা হন। ফ্লাইট ছাড়ার আগে বাসায় মোবাইল ফোনে জানান, ‘নেপালে নেমেই আমরা ফোন করবো’। তাদের নেপালের সিমও ছিল। এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিপাশার বোন ঋতু জানান, ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। কারো সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

এদিকে বিমানটির দুজন যাত্রীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রধান উম্মে সালমা ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরী। সরকারি এক সেমিনারে অংশ নিতে তারা নেপালে যাচ্ছিলেন।

ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭৮ আসনের বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন।

ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারীর সঙ্গে ছিল দুই শিশুও। এছাড়া ছিলেন মালদ্বীপ ও চীনা নাগরিক।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৮ আসনের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ মডেলের উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় ২:২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। এসটু-এইউজি নামে নিবন্ধিত ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়েছিলো দুপুর ১:৪৩ মিনিটে।

স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ২টা ২০মিনিটে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি রানওয়ের পাশে একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়।


ঢাকা, সোমবার, মার্চ ১২, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ১০১৬২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন