সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৫ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘মা আমি ভালো আছি, প্রিয়ক ও তার সন্তানের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না’

মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১৮

us-20180312155910-20180313102702_1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে আক্রান্ত গাজীপুরের শ্রীপুরে মেহেদী হাসান মাসুম গতকাল রাত সাড়ে আটটায় তার মা মমতাজ বেগমকে ফোন করে বলেন, ‘মা আমি ভালো আছি, প্রিয়কের স্ত্রী এনী ও স্বর্ণা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তবে প্রিয়ক ও তার মেয়েকে কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

বিধ্বস্ত বিমানে ৩২ বাংলাদেশির মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরের যাত্রী ছিলেন দুই দম্পতি ও তিন বছরের এক শিশু। তারা হলেন- আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ফটোগ্রাফার এফ এইচ প্রিয়ক (৩২),তার স্ত্রী এনী প্রিয়ক (২৬), শিশু সন্তান তামাররা প্রিয়ক(৩)। প্রিয়ক উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর একমাত্র পুত্র। প্রিয়কের মামাতো ভাই মেহেদী হাসান মাসুম(৩০), মাসুমের স্ত্রী সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা(২৫)।

নেপালে অবস্থানরত আশিক রেজা নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক হাসপাতালে গিয়ে শ্রীপুরের ৫ জনের মধ্যে তিনজনের চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উড়োজাহাজে ছিলেন (বাঁ থেকে) স্বর্ণা, আলোকচিত্রী এফ এইচ প্রিয়ক, তাঁর স্ত্রী অ্যানি ও তাঁদের সন্তান তামারা। স্বর্ণা ও অ্যানি নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সন্তানসহ প্রাণ হারিয়েছেন প্রিয়ক।  ছবি: ফেসবুক থেকে


প্রিয়কের চাচাতো ভাই লুৎফর রহমান ও মামা তোফাজ্জল হোসেন জানান, সোমবার ৬ দিনের ভ্রমণে নেপালে রওনা হন তারা। গত বছর থেকেই দুই পরিবার মার্চে নেপাল ভ্রমণের পরিকল্পনা করে। সোমবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ প্রিয়কের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার মা ফিরোজা বেগম আহাজারি করছেন। একমাত্র সন্তানের কথা বলে বলে বারবার সংজ্ঞাহীন হয়ে পরছেন।


ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ২৯৫৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন