সর্বশেষ
সোমবার ৫ই ভাদ্র ১৪২৫ | ২০ আগস্ট ২০১৮

তিন যুগে তিন বাংলাদেশি নারী বৈমানিকের মৃত্যু কথা

বুধবার, মার্চ ১৪, ২০১৮

bangladesh_647_071615115348.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বর্তমানে নারীরা সব ধরনের পেশায় পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশগ্রহণ করছে। সব জায়গায় নারীদের বিচরণ রয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলেয়ে বাংলাদেশের নারীরাও চ্যালেঞ্জিং পেশায় আসছে। সে স্বপ্ন খেকেই নারীরাও আকাশে বিমান পরিচালনা করছে। তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা খুব কম। দেশের মাটিতে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ১৯৮৪ সালে ঢাকায় বিমানবন্দরের কাছের ভূমিতে ঘটেছিল।

যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। সে সময় বিমানে থাকা যাত্রীদের সাথে নিহত হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত পাইলট কানিজ ফাতেমা রোকসানা। তবে তার আগে ৭ বছর দক্ষতার সাথে বাণিজ্যিক বিমান পরিচালনার রেকর্ড ছিলো এই পায়োনিয়ারের।

এর বাইরে ৯৮ সালে সেনা প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পুরান ঢাকার পোস্তগোলায় সহযোগী পাইলট রফিকুল ইসলামসহ নিহত হন প্রশিক্ষণার্থী পাইলট ফারিয়া লারা। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের মেয়ে ছিলেন পাইলট ফারিয়া। সেলিনা হোসেন পরবর্তীতে নিজের নিহত কন্যাকে নিয়ে ‹লারা› নামে একটি সাড়া জাগানো বই লিখেন।

২০ বছর পরে বিমান বিধ্বস্তে আবারো বাংলাদেশি মহিলা পাইলট নিহত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটল। কয়েকদিন আগে নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার ড্যাশ-৪ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ নিহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে আছেন মহিলা পাইলট ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা রাশিদা। তিনি মূল পাইলট আবিদ সুলতানের সহযোগী হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা করছিলেন।

সাধারণত এ ধরনের প্লেন ক্রাশে কেউ বাঁচে না, তবে শুধুমাত্র পাইলটদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া চেষ্টা ও দক্ষতায় এ দুর্ঘটনায় বেঁচে গেছেন ১৭ জন। তার এই আত্মত্যাগের কারণে নেপালের মিডিয়া পৃথুলা রাশিদাকে আখ্যায়িত করেছেন 'ডটার অব বাংলাদেশ' নামে।


ঢাকা, বুধবার, মার্চ ১৪, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৪০৬১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন