সর্বশেষ
বুধবার ৩রা শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৮ জুলাই ২০১৮

স্বামী ও মেয়ে বেঁচে নেই তা এখনো জানেন না অ্যানি

শনিবার, মার্চ ১৭, ২০১৮

image-26965-1521266528.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

কাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় আহত আলামুন নাহার অ্যানিকে শুক্রবার বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ভর্তি আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের কেবিনে।

অ্যানি তার বাবার কাছে বার বার জানতে চাইছেন তাঁর স্বামী ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী কেমন আছে, কোথায় আছে। অ্যানিকে বলা হলো, প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ীকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে কাঠমান্ডুতে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় আহত যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে, অ্যানি তাদের একজন। বিমান দুর্ঘটনায় যে ৫০ জন মারা গেছেন, তার মধ্যে প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ী আছে। প্রিয়কদের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে।

অ্যানিকে জানানো হয়নি যে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তাঁর স্বামী আর মেয়ে মারা গেছে। তাই বারবারই মেয়ে আর স্বামীর কথা জানতে চাইছেন তিনি।

ইউএস-বাংলা উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় আহত এই তিন যাত্রীকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকা মেডিকেলে আনা হয় শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটায়। তাদের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিটের কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আহত আরেক যাত্রী শেহরিন আহমেদ এই ইউনিটে ভর্তি হন। এ নিয়ে দুর্ঘটনায় আহত চারজনের ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা হচ্ছে।

তিনজনকে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভর্তি শেষে তাৎক্ষণিক সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ব্রিফিংয়ে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন বলেন, ভর্তি হওয়া যাত্রীরা আশঙ্কামুক্ত নন।

এ সময় কথা বলেন ওই তিন আহত যাত্রীর আত্মীয় এজাজ আহমেদ। এজাজ বলেন, অ্যানি এখনো জানেন না যে তার স্বামী ও মেয়ে দুর্ঘটনায় মারা গেছে। অ্যানি পাঁচ মিনিট পরপর তাদের কথা জানতে চাইছেন। অ্যানিকে জানানো হয়েছে তাঁর স্বামী ও মেয়েকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।

এজাজ আহমেদ আরও বলেন, উড়োজাহাজে মেহেদী হাসান ও কামরুন নাহার সামনের আসনে ছিলেন। তাদের পেছনে ছিলেন অ্যানি, প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ী। দুর্ঘটনার পর মেহেদী কামরুন ও অ্যানিকে নিয়ে বের হন। তবে মেয়ে প্রিয়ন্ময়ীকে নিয়ে বের হতে পারেননি অ্যানির স্বামী প্রিয়ক।


ঢাকা, শনিবার, মার্চ ১৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২৫১৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন