সর্বশেষ
শুক্রবার ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

ফুটবলে এমন ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম ঘটল!

মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৭, ২০১৮

Unprecedented220180417142438.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

এবার ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্ভুত এক ঘটনা ঘটল জার্মান বুন্দেসলিগায়।

সোমবার রাতে মাইঞ্জ ০৫ ও এসসি ফ্রেইবুর্গের ম্যাচের স্কোরলাইন তখন গোলশূন্য। প্রথমার্ধের শেষ দিকের খেলা চলছিল। ডি বক্সের ভেতর স্বাগতিক মাইঞ্জের রাইট-ব্যাক ড্যানিয়েল ব্রোসিন্সকির ক্রস লাগে অতিথি ডিফেন্ডার মার্ক অলিভেরের হাতে। পেনাল্টির আবেদন করেন স্বাগতিক খেলোয়াড়রা। কিন্তু রেফারি গুইদো উইঙ্কমান সেটি নাচক করে দেন এবং প্রথমার্ধের খেলা শেষের বাঁশি বাজান।

দুই দলের খেলোয়াড়রা হাঁটা দেন ড্রেসিংরুমের পথে। মাঠের রেফারি তখন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিকে নির্দেশ দেন ঘটনাটা খতিতে দেখতে। মনিটরে রিপ্লে দেখতে রেফারি ছুটে যান মাঠের অন্য প্রান্তে থাকা ভিডিও রেফারির কাছে। ভিডিও রেফারি রিপ্লে দেখে জানান, ওটা আসলে হ্যান্ডবল ছিল। রেফারি পাল্টান তার সিদ্ধান্ত, স্বাগতিকদের দেন পেনাল্টি।
 
কিন্তু দুই দলের খেলোয়াড়রা ততক্ষণে ড্রেসিংরুমের টানেলে চলে গেছেন! রেফারি খেলোয়াড়দের ডেকে পাঠান মাঠে। পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ডি ব্লাসিস।

প্রথমার্ধের পর মাঠে টয়লেট পেপার ছুড়তে থাকেন সমর্থকরা। এটার কারণ যদিও ভিন্ন। সোমবার রাতে ম্যাচ দেওয়ার কারণেই তাদের এমন প্রতিবাদ। ফলে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হয় কিছুটা দেরিতে। দ্বিতীয়ার্ধে ডি ব্লাইসের আরেকটি গোলে ২-০ গোলের জয় পায় মাইঞ্জ।

তবে জয় ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারির ওই ঘটনা। ফুটবলে এমন ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম ঘটল! বিটি স্পোর্টস থেকে টুইট করেছে, 'আমি নিশ্চিত এটা ইতিহাস তৈরি করেছে। আমি এমন কিছু আগে দেখিনি!'

এই ঘটনায় প্রযুক্তির কোনো সমস্যা দেখছেন না ইউরোপিয়ান ফুটবল লেখক অ্যান্ডি ব্রাসেল। ভুলটা রেফারির বলে মনে করছেন তিনি। ব্রাসেল বিবিসি রেডিও ৫-কে বলেছেন, 'রেফারির দ্রত খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে যেতে বলাটা সম্ভবত উচিত হয়নি, এটা নির্ভর করে তিনি কত দ্রত ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। সমস্যাটা প্রযুক্তির নয়, প্রক্রিয়ার।'

তথ্যসূত্র : বিবিসি ও মেইল অনলাইন।

 


ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২২৬৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন