সর্বশেষ
সোমবার ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৯ নভেম্বর ২০১৮

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মাকে খুব ভালোবাসেন

শনিবার, মে ১৯, ২০১৮

13.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তার মাকে খুব ভালোবাসেন। সময় পেলে তিনি মায়ের হাত ধরে হাঁটাহাঁটি করেন, তার সঙ্গে আড্ডা দেন। তবে অনেকসময় তিনি বাড়ি ফিরতে পারতেন না। ২০০১ সালের বসন্ত উৎসবে সি চিন পিং ফুচিয়ান প্রদেশে গভর্নর থাকাকালে বাড়ি ফিরতে পারলেন না। তার মা তাকে ফোন করে বলেন: 'তুমি ভালোভাবে তোমার কাজ কর। তাতেই আমি খুশি।'

ছোটবেলা থেকে সি চিন পিং পরিবারের গুরুত্ব বুঝতে শেখেন। তার বয়স যখন ৫/৬ বছর, তখন তার মা সিপিসি’র কেন্দ্রীয় পার্টি বিদ্যালয়ে কাজ করতেন। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ছিল একটি বইয়ের দোকান। একদিন সি চিন পিংয়ের মা তাকে ওই দোকানে নিয়ে যান।

পথে ছোট্ট সি চিন পিং আর হাঁটতে পারছিলেন না। তখন মা তাকে কাঁধে তুলে নেন। দোকান থেকে মা তাকে একটি বই কিনে দেন। বইয়ের একটি গল্প এমন: এক লোক তার পিঠে ছুরি দিয়ে কেটে কেটে লেখেন ‘দেশপ্রেম’। গল্প শুনে সি চিন পিং বলেন: ‘লোকটা নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হয়েছে।’ মা বললেন: ‘কষ্ট হয়েছে। তবে, তার অন্তর পেয়েছে প্রশান্তি।’ সেই ছোট্ট বেলার সেই গল্প সি চিন পিংয়ের মনে গভীর দাগ কাটে।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের পিতা-মাতা উভয়ে সিপিসি’র প্রবীণ সদস্য। তার পিতা সি চুং সুনকে পার্টির অভ্যন্তরে বিনা অপরাধে অপমানিত হতে হয়েছিল। আর এ-কারণে সি চিন পিংয়ের মা ছি সিন তার ছোট ছেলে সি ইউয়ান পিংকে নিয়ে হ্যনান প্রদেশের একটি কৃষি-খামারে কাজ করতে বাধ্য হন। আর সি চিন পিং শাআনসি প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে কাজ করতে শুরু করেন।

সি চুং সুনের ওপর অন্যায় আচরণের ফলে তার পরিবারের সদস্যদের বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করতে হয়। মা-এর মন স্বাভাবিকভাবেই দুঃখ-ভারাক্রান্ত হয়। কারণ, তিনি সকল সন্তানের যত্ন একসঙ্গে নিতে পারছিলেন না। মা পুত্র সি চিন পিংয়ের জন্য নিজের হাতে একটি কাপড়ের ব্যাগ তৈরি করেন। তিনি ব্যাগের উপর হাতে লাল কালিতে লেখেন: ‘মায়ের হার্ট’।


ঢাকা, শনিবার, মে ১৯, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৭০১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন