সর্বশেষ
শুক্রবার ৮ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২২ জুন ২০১৮

চিরিরবন্দরে আউশ মৌসুমে জনপ্রিয় হচ্ছে কমিউনিটি বীজতলা

রবিবার, জুন ৩, ২০১৮

10.jpg ছবি উৎস : বিডিলাইভ২৪
চিরিরবন্দর প্রতিনিধি, দিনাজপুর :

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কৃষি। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া এখন এখানকার কৃষকের ঘরে ঘরে। ফলে দিন বদল হচ্ছে কৃষকদের, গতি সঞ্চার হচ্ছে কৃষি অর্থনীতির।

কৃষিক্ষেত্রে যোগ হওয়া এমনই এক প্রযুক্তি ব্যবস্থা হচ্ছে কমিউনিটি ও আদর্শ বীজতলা। শস্য ভাণ্ডার বৃহত্তর উপজেলা চিরিরবন্দরে বীজতলা তৈরি ও চাষে কৃষকের মাঝে এখন ব্যাপক সাড়া জাগাচ্ছে। দিনদিন এই পদ্ধতিতে আউশ মৌসুমেও বীজতলা তৈরি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আউশ মৌসুমে উপজেলায় ৭২০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪১০ হেক্টর উফশী ও ৩১০ হেক্টর হাইব্রিড।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিশেষ প্রকল্প ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রোগ্রাম এনএটিপি-২ আওতায় বিভিন্ন সিআইজিভুক্ত কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে আউশ ধান আবাদ বৃদ্ধি করার লক্ষে চিরিরবন্দর কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এ ধরনের কমিউনিটি ও আদর্শ বীজতলা তৈরির উদ্যোগে নেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার সাইতাড়া ইউনিয়নের খোচনা গ্রামের কৃষক হামিদুল ইসলাম, বাবু রহমান, আজিজুল হকসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে কমিউনিটি বা আদর্শ পদ্ধতিতে যেকোনো জমিতে বীজতলা তৈরি করতে পেরে তারা লাভবান হচ্ছেন। আদর্শ বীজতলা থেকে চারা তোলা খুবই সহজ। আগের পদ্ধতির চেয়ে কমিউনিটি পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করলে বীজ, শ্রম, সার, জায়গা, সেচ ও সময়সহ খরচ অনেক কম লাগে। কিন্তু ফলনও ভালো পাওয়া যায়। তাই ওই বীজতলা উদ্ভাবনের ফলে কৃষকরা সময়, টাকা ও শ্রমসহ সবদিকে লাভবান হচ্ছেন।

খোচনা গ্রামের হামিদুল ইসলাম বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যে জায়গায় বীজ বেশি লাগত, সেখানে কমিউনিটি পদ্ধতিতে বীজ অনেক কম লাগে। তাতে বীজতলা তৈরি থেকে অন্যান্য সব মিলে ১ হাজার ২শ' টাকা খরচ কম হয়। তাছাড়া এ পদ্ধতিতে ফলন ভালো হয়, সেবা যত্ন করাও সহজ হয়। খরচ প্রায় অর্ধেক লাগে।

মোহাম্মদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর


ঢাকা, রবিবার, জুন ৩, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১২৫৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন