সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৮ই কার্তিক ১৪২৫ | ২৩ অক্টোবর ২০১৮

বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি সেটাই হবে: অর্থমন্ত্রী

শুক্রবার, জুন ৮, ২০১৮

আবুল-মাল-আবদুল-মুহিত-620x330.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি সেটাই হবে। আগে লক্ষ্য অর্জনের সফলতা কম ছিলো। তবে গত বছর সেটা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। এই সফলতার কারণ হলো দেশের গ্রোথ রেট।

শুক্রবার (৮ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মতিয়া চৌধুরী, হাসানুল হক ইনুসহ আরো অনেকে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনি বাজেট। আমি একটি দলের সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সে হিসেবে আমার বাজেট নির্বাচনি বাজেটই হবে। আমি এমন বাজেট দিই যেটা মানুষ পছন্দ করবে।

এই বাজেটে কথা রাখা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কর্পোরেট করের উচ্চতম হার সাড়ে ৭ পার্সেন্টে নিয়ে এসেছি। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে যে কর্পোরেট আয় সেটা তুলনীয়। নতুন করে কোনো কর দেওয়া হবে না বলেছিলাম। সেটা রাখা হয়েছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা নির্বোধ ও যাদের দেশপ্রেম নেই, তারাই বলে ভুয়া বাজেট। ভুয়া বাজেট বলে কিছু নেই। বাজেট যখন দেই, সেটা ভেবেই দেই। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা যা নির্ধারণ করেছি তা বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করি।

সরকারি চাকরিজীবীদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
 
সরকারি চাকরিজীবীরা আর কত সুবিধা চান এমন প্রশ্ন রেখে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকুরেদের যেসব সুযোগ-সুবিধা বর্তমান সরকার দিয়েছে এর আগে তারা তা জীবনে চোখে দেখিনি। বেতন ৪০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্বল্প সুদে গৃহনির্মাণ ঋণ দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীরা বিশেষত নবীন কর্মকর্তারা যেন একটি ফ্ল্যাট বা গৃহের মালিক হতে পারেন সে দিকে লক্ষ রেখে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ দেয়ার বিষয়ে একটি নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো স্থানে গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য ঋণ নিতে পারবেন। সহনীয় ও পরিশোধযোগ্য সুদে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এই ঋণ দেয়া হবে বলে জানান মুহিত। তিনি বলেন, আশা করি, এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর সরকারি সেবা প্রদানে কর্মচারীরা আরও উদ্যমী হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া জানান, অনলাইনে (ই-কমার্স) কেনাকাটায় ক্রেতাকে কোনও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে হবে না। তিনি বলেন, ‘ভার্চুয়াল বিজনেস যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলের ওপর ট্যাক্স ধার্য করার একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছি। কিন্তু অনলাইন বিজনেসকে আমরা আলাদা রেখেছি। এটার ওপর আমরা ভ্যাট রাখিনি।


ঢাকা, শুক্রবার, জুন ৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৫৩২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন