সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

দশমাইল হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় কমেছে সড়ক দুর্ঘটনা

বৃহস্পতিবার, জুন ২১, ২০১৮

c019f891c4fd528ab553948ed7cf3a95_6.jpg
চিরিরবন্দর প্রতিনিধি, দিনাজপুর :

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে দশমাইল হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমেছে মহাসড়কে। গতিসীমা লঙ্ঘন করা গাড়ির পাশাপাশি থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি ও শব্দ দূষণকারী হাইড্রোলিক হর্ণের বিরুদ্ধেও অভিযান চালাচ্ছে তারা। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

মহাসড়কে নিরাপদে যান চলাচলে তাদের কর্ম এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের চিরিরবন্দরের দেবীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত দশমাইল হাইওয়ে থানা।

মহাসড়কে বিশেষ করে সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটত বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

চিরিরবন্দর রাবেয়া মিল এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, ছোটখাটো যানবাহনের কারণে আগে মহাসড়কে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটতো। হাইওয়ে পুলিশের নিয়মিত অভিযানের কারণে ওইসব যানবাহন লাপাত্তা হয়েছে মহাসড়ক থেকে। তাছাড়া অতিরিক্ত গতিসম্পন্ন গাড়িগুলোকে স্পিডগান দিয়ে পরীক্ষা করার কারণে দূর্ঘটনার ঝুঁকি কমেছে। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে উল্লেখযোগ্য কোনো দুর্ঘটনা তথা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

চম্পাতলী এলাকার বাসিন্দা আনিসুল হক বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতার কারণে এবারে ঈদে নির্বিঘেন্ন যানবাহন চলাচল করেছে। ফলে দশমাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আওতায় ৫১ কিলোমিটার সড়ক পথে নেই কোনো দুর্ঘটনা। এছাড়া দিনের বেলা হাইওয়েতে আর আগের মতো নসিমন, করিমন, ভটভটিও চোখে পড়ে না।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক কর্মএলাকায় ৩১ জন জনবল নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে দশমাইল হাইওয়ে থানা। গত কয়েক মাসে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ৪৪৩ টি মামলা দায়ের হয়েছে।

দশমাইল হাইওয়ে থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: আব্দুল মালেক বলেন, 'সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে নিরাপদ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু সড়কটি খুবই ভালো, তাই গতি বাড়িয়ে দেয় চালকরা। এছাড়া অভারটেকিং মানসিকতা, থ্রি-হুইলার, অসতর্কতার সঙ্গে পথচারী পারাপারের ফলেও ঘটে দুর্ঘটনা ঘটে।'

তিনি আরো বলেন, 'গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করলে সেই গাড়ি বা চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আর এর চেয়ে নিচে ৭০ কিলোমিটার গতি থাকলে তাদের থামিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়। এছাড়া হাইড্রোলিক হর্ন থাকলে তা খুলে নেয়া হচ্ছে। থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি জব্দ করাসহ তাদের বিরুদ্ধেও নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।'


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন