সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

৪৬৩৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের অনুমোদন

বৃহস্পতিবার, জুন ২১, ২০১৮

PM-6.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বাংলাদেশী পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-পাসপোর্ট চালু করার জন্য ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশী পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে বাংলাদেশী ও বিদেশী নাগরিকদের সুষ্ঠুভাবে গমনাগমন সুনিশ্চিত হবে বলে আশা করছে সরকার। খবর বাসস।

রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন’ প্রকল্পসহ মোট ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এরমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৮২৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, প্রকল্প সাহায্য ৬ হাজার ৫৫৪ কোটি ৯৬ লাখ এবং ৫৮৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা পাওয়া যাবে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের আওতায় বহির্বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সর্বশেষ উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে। যা বাংলাদেশী পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও বহির্বিশ্বে বাংলাদেশী পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে।

সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর জুলাই, ২০১৮ হতে জুন, ২০২৮ মেয়াদকালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান,‘পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ১,১৬২ দশমিক ৬৭ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ১৪শ’ কোটি টাকার বাড়তি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিদের্শনা দিয়েছেন- হাওর এলাকায় আগামীতে যেসব রাস্তা তৈরি হবে সেগুলো এলিভেটেড করতে হবে। যাতে নীচ দিয়ে নৌকা বা সাম্পান চলতে পারে।উপর দিয়ে রাস্তা থাকবে।তাহলে আলাদা করে ব্রিজ করতে হবে না। এক খরচেই সব কাজ হবে।

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো- কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্প, দেশব্যাপী ডিজিটাল টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার প্রবর্তন প্রকল্প, ২১টি জেলার সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা প্রদান প্রকল্প, ব্লু গোল্ড প্রোগ্রাম ফর ই›িন্টগ্রেটেড সাসটেইনেবল ইকনোমিক ডেভলপমেন্ট ইমপ্রোভিং দ্যা ওয়াটার এন্ড প্রোডাকটিভ সেক্টরস ইন সিলেকটেড পোল্ডারস ফিন্যানসিয়াল প্রকল্প এবং এস্টাবলিশমেন্ট অব ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থ্রো ডিজিটাল সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট অপারেশনস অব থ্রি সিটি করপরেশনস ওয়ান পৌরসভা এন্ড রুরাল উপজেলা অব বাংলাদেশ প্রকল্প।

এ ছাড়া লোকাল গভর্নমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রকল্প, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ট্রান্সমিশন গ্রীড সম্প্রসারণ প্রকল্প, ডিপিডিসির আওতায় ঢাকার কাওরানবাজারে ভূ-গর্ভস্থ উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, লং টার্ম সার্ভিস এগ্রিমেন্ট ফর ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প, লাকসাম এবং চিনকী আস্তানার মধ্যে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্প, সিগন্যালিংসহ টংগী ভৈরববাজার সেকশনে ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প, ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক নির্মাণ প্রকল্প, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য লজিস্টিকস ও ফ্লীট মেইনটেন্যান্স ফ্যাসিলিটিস গড়ে তোলা প্রকল্প।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৮৪০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন