সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২রা শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৭ জুলাই ২০১৮

মঙ্গল শিকদার ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চ টার্মিনালে ওঠানামায় দুর্ভোগ যাত্রীদের

সোমবার, জুন ২৫, ২০১৮

bb.jpg
ভোলা প্রতিনিধি :

লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে কয়েক হাজার যাত্রী ওঠানামায় ছোট একটি মাত্র পন্টুন বসানো হয়েছে। সে পন্টুনের চাল ঝড়ে উড়ে গেছে। পন্টুনে যাত্রী ওঠানামার সংযোগ সড়কটিও ভাঙা। একটু বৃষ্টি হলেই যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে। ঈদে আরও দুর্ভোগে পড়তে হবে। এর আগেই পন্টুনটি সংস্কার করা জরুরী বলে দাবি করেছেন সংশ্নিষ্টরা।

সরেজমিন জানা যায়, যাত্রী সুবিধার কথা চিন্তা করে ২০১১ সালে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরন্নবী চৌধুরী শাওন বিআইডব্লিউটিএ থেকে পন্টুনটি স্থাপন করেন। ঝড়-বন্যায় দুর্বল পন্টুনটি ডুবে যায়। পরে ২০১২ সালে আরেকটি ১ হাজার ৭৫৫ বর্গফুটের পন্টুন স্থাপন করা হয়। সেটিরও চাল উড়ে গেছে। বিশ্রামাগার ও টয়লেট ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। পন্টুনে নারী যাত্রীদের জন্য কোনো শৌচাগার নেই। বিশ্রামেরও কোনো ব্যবস্থা নেই।

লঞ্চযাত্রী আবদুল খালেক মাস্টার বলেন, উপজেলার ধলীগৌরনগর, লর্ডহার্ডিঞ্জ, রমাগঞ্জসহ ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য মঙ্গল শিকদার লঞ্চ ঘাটটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেখানে আধুনিক কোনো ব্যবস্থা নেই।

লালমোহন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বেপারী বলেন, লালমোহন বাজার-ঢাকা নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লালমোহন বাজার ব্যবসায়ীরা মঙ্গল শিকদার ঘাট দিয়ে মালামাল ওঠানামা করছে। কিন্তু পন্টুনের বেহাল দশার কারণে মালামাল বৃষ্টিতে ভিজছে, চুরি হচ্ছে।

ধলীগৌরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু বলেন, ঘাট সংস্কারের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে বহুবার বলার পরেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘাটে নতুন পন্টুন স্থাপন ও সংযোগ সড়ক সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গল শিকদার লঞ্চ ঘাটের পন্টুন ও জেটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করা হবে।

গোপাল চন্দ্র দে
ভোলা প্রতিনিধি


ঢাকা, সোমবার, জুন ২৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন