সর্বশেষ
বুধবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

যানজটে ঢাকায় দিনে ৩২ লাখ কর্ম ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে: বিশ্বব্যাংক

বৃহস্পতিবার, জুলাই ৫, ২০১৮

1438606665-768x452.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

রাজধানী ঢাকায় যানজটের কারণে গত ১০ বছরে গাড়ির গড় গতি ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার থেকে কমে ৭ কিলোমিটারে নেমে এসেছে। যেখানে পায়ে হেঁটে চলার গড় গতি প্রতি ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার। শুধু যানজটের কারণেই ঢাকায় দিনে ৩২ লাখ কর্ম ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে ঢাকার এমন চিত্র উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। গ্লোবাল সিটির অংশ হিসেবে ঢাকাকে কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়, সেই গবেষণা করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় অতিরিক্ত ৫০ লাখ লোকের জন্য বসবাসের ব্যবস্থা করা যাবে। একই সঙ্গে ১৮ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান করা সম্ভব। এটা করতে হলে যে তিনটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সেগুলো হলো- বন্যার হাত থেকে বাঁচতে ও পানির গতি ঘোরাতে বালু নদীর তীরে একটি বাঁধ দিতে হবে, ক্রমবর্ধমান সাধারণ ট্রান্সপোর্ট ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টের চলাচলের উন্নয়নে সমন্বয় সাধন করতে হবে। এর বাইরে ঢাকার পূর্বে একটি ‘বিজনেজ ডিস্ট্রিক্ট’ গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এই তিন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে ব্যয় হবে দেড় হাজার কোটি ডলার। আর এই টাকা ব্যয়ের ফলে ২০৩৫ সালের মধ্যে বছরে ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্ভব হবে।

সংস্থাটি বলছে, এই অর্থনৈতিক কার্যক্রম রাজধানীবাসীর আয় বাড়িয়ে দেবে। এখন যেখানে মাথাপিছু আয় ৮ হাজার ডলারের নিচে সেটা ২০৩৫ সাল নাগাদ ৯ হাজার ২০০ ডলারে উন্নীত করবে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয়বিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্টিন রামা, পিপিআরসির চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, অক্সফোর্ডের প্রফেসর এনথনি ভেনাবল।

প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এনথনি ভেনাবল বলেন, গড় হারে প্রতিদিন ঢাকায় মানুষ বাড়ছে। বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩৫ সালে ঢাকার জনসংখ্যা হবে সাড়ে ৩ কোটি। ঢাকা এখন প্রচুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। সেটা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ঢাকা মহানগরীর দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে ঢাকার নগর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখা হয়নি। ফলে একটি বিশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৪০৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন