সর্বশেষ
বুধবার ৩রা শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৮ জুলাই ২০১৮

গুহায় নেয়া এয়ার ট্যাংক শেষ, প্রহর গুনছে বাকি খুদে ফুটবলাররা

গুহা

সোমবার, জুলাই ৯, ২০১৮

thai-children-stuck-in-cave-1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের চিয়াং রাই প্রদেশের লুয়াং নং নন গুহা থেকে ছয় কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ছয়জন শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। তাদেরকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

প্রথম দফায় ৬ জনকে উদ্ধার করা হলেও এখনো গুহার প্রবেশপথ থেকে চার কিলোমিটার দূরে আটকা আছে বাকি ছয় কিশোর ও তাদের কোচ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ১০ থেকে ২০ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফায় বাকিদের উদ্ধারে অভিযান শুরু হবে। গুহার ভেতরে নিয়ে যাওয়া অক্সিজেন ফুরিয়ে গেছে। নতুন করে আবারো গুহার বিভিন্ন মোড়ে ও সংকীর্ন পথে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও এয়ার ট্যাংক বসানোর কাজ শুরু হবে সোমবার সকালে।

উদ্ধার মিশনের যৌথ কমান্ড সেন্টারের প্রধান ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে সব অক্সিজেন ব্যবহার করেছি। নতুন করে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নিতে ১০ থেকে ২০ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন। তিনি বলেন, গুহার ভেতরে অবশ্যই এয়ার ট্যাংক বসাতে হবে। রোববারের অভিযানকে বড় ধরনের সফলতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ন্যারংস্যাক।

রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ১৩ বিদেশি ডুবুরি ও থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর অভিজাত শাখা থাই নেভি সিলের পাঁচ সদস্য এই উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে প্রথম, ৫টা ৫০ মিনিটে দ্বিতীয় এবং এর ১৬ মিনিট পর তৃতীয় কিশোরকে গুহার ভেতর থেকে বাইরে নিয়ে আসা হয়।

এর কিছুক্ষণ পর আরো তিন কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। দেশটির উত্তরাঞ্চলের থ্যাম লুয়াং গুহা থেকে উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন চিকিৎসকরা। পরে দ্রুত সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে মং জেলার চিয়াংরাই প্রাচ্যানুকরোহ হাসপাতালে নেয়া হয়।

বিবিসি বলছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ফের শুরু হবে উদ্ধার অভিযান। নির্ধারিত সময়ের আগেই কিশোরদের উদ্ধারের ব্যাপারে ওই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন ডুবুরিরা। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে কিশোরদের প্রথম দলটিকে গুহার বাইরে নিয়ে আসার আগে পানির নিচে ডুবে আসতে হয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার পথ।

সূত্র : এএফপি, দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি, রয়টার্স।


ঢাকা, সোমবার, জুলাই ৯, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২৯৬২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন