সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৩০শে শ্রাবণ ১৪২৫ | ১৪ আগস্ট ২০১৮

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

রবিবার, জুলাই ১৫, ২০১৮

9_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় চার্জ শুনানি পিছিয়ে আগামী ১২ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত। রাইজিংবিডি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

রোববার মামলাটির চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার দুই আসামি মো. আমিনুল হক ও এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন জানিয়ে সময়ের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা।

পুরান ঢাকার বকশী বাজাররে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-২ ভারপ্রাপ্ত বিচারক শেখ নাজমুল আলম আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

খালেদা জিয়া অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন বলে আদালতকে অবহিত করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। এদিন তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষে হাজিরা প্রদান করেন। খালেদা জিয়া পক্ষে এদিন জিয়া উদ্দিন জিয়া, হান্নান ভূইয়া প্রমুখ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

এই মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের সংখ্যা ১৩ জন। কিন্তু জামায়াত নেতা নিজামী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ১১ জন।

আসামিরা হলেন-বেগম খালেদা জিয়া, প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, প্রাক্তন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী এমকে আনোয়ার, প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, প্রাক্তন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হক, মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রাক্তন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার প্রাক্তন পরিচালক মুঈনুল আহসান, প্রাক্তন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশারফ হোসেন।

গত ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। একই বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে এ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়।


ঢাকা, রবিবার, জুলাই ১৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ২৮১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন