সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১লা ভাদ্র ১৪২৫ | ১৬ আগস্ট ২০১৮

মিরপুরে গুপ্তধনের খোঁজে ছয় ঘণ্টা খোঁড়াখুঁড়ি, কী মিলল

শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮

image-38563-1532175036.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

রাজধানীর মিরপুর-১০ এর সি ব্লকের ১৬ নম্বর রোডের ১৬ নম্বর বাড়িতে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে খননকাজ চলার পরও মেলেনি গুপ্তধন। অবশেষে খোঁড়াখুঁড়ি অভিযান আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার উজ জামান আজকের মতো খননকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেন। তবে সেখানে এখনও কিছু পাওয়া যায়নি। এর আগে সকাল ১০ দিকে গুপ্তধনের খোঁজে ওই বাড়িটিতে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করা হয়।

কেন খোঁড়াখুঁড়ি স্থগিত করা হয়েছে তা জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার উজ জামান বলেন, আমরা সাড়ে চার ফুট খনন করেছি।বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর দুর্বল হওয়ায় আরও খনন করলে বাড়িটি দেবে যেতে পারে তাই আপাতত খোঁড়াখুঁড়ি স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ খুঁজে তাদের পরামর্শ নিয়ে আবার কার্যক্রম শুরু করতে চাই। যদি বিশেষজ্ঞ আগামী কালকের মধ্যে পাওয়া যায় তবে কালই কর্যক্রম শুরু করবো।ততোক্ষণ পর্যন্ত বাড়িটি পুলিশ হেফাজতে থাকবে।

এদিকে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাদন ফকির বলেন, ‘বাড়িটিতে গুপ্তধন রয়েছে বলে আবু তৈয়ব নামে একজন গত ১০ জুলাই থানায় জিডি করেন। এছাড়াও এই বাড়ির বর্তমান মালিক মনিরুল আলম স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনেছেন এখানে গুপ্তধন থাকতে পারে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তিনিও ১৪ জুলাই থানায় একটি জিডি করেন এবং বিষয়টি দেখার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানান। মনিরুল আলমের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এই বাড়িটি খননের কার্যক্রম শুরু করি।

আবু তৈয়বের বিষয়ে কোনও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি আরও বলেন, আমরা তার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছি। তথ্য সংগ্রহের জন্য কক্সবাজারের টেকনাফেও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

গুপ্তধনের বিষয়ে খনন প্রক্রিয়া ছাড়া অন্যকোনও উপায়ে জানার প্রযুক্তি আছে কিনা জানতে চাইলে ওসি বলেন, এর জন্যই আমরা খনন কাজ স্থগিত করেছি। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলবো এবং খনন প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায়ে গুপ্তধন থাকলে তা সনাক্ত করা যায় কিনা তা জানার চেষ্টা করবো।

এদিকে গুপ্তধন পাওয়া গেলেও এর প্রতি কোনো দাবি নেই বলে জানান বাড়ির মালিক মনিরুল আলম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সেলিম রেজা নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০১০ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাড়িটি তিনি কিনেছিলেন। বাড়ির দেখাশোনার জন্য দুজন তত্ত্বাবধায়ক রাখা হয়। এ ছাড়া বাড়িটির কয়েকটি কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়।


ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৩৩১৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন