সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বর্ষায় সাপ ও পোকামাকড় এড়াতে মেনে চলুন এসব

শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮

86634-snake-28-5-17.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বর্ষা মানেই জমা জল আর স্যাঁতসেতে পরিবেশ। মশা-মাছি ছাড়াও এমন পরিবেশ নানা রকম পোকামাকড় ও সাপখোপের প্রকপ বাড়ে। তাই স্বভাবতই মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ে। বর্ষার কীটপতঙ্গ বাহিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ যেমন বাড়ে, তেমনই সে সব থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টাও চলতে থাকে সমান তালে।

বিশেষ কিছু ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিক উপায় অবলম্বন করলে সাপ ও কীটপতঙ্গ থেকে নিস্তার মেলে সহজেই। কিন্তু এই প্রতিরোধ প্রসঙ্গে অনেকেরই ধারণা খুব ভাসা ভাসা। অনেকে তা জানলেও তার প্রয়োগজনিত ভুলে সে সব খুব একটা কাজে আসে না।

তাই দেখে নিন, এই বর্ষায় পোকামাকড় ও সাপখোপের হাত থেকে বাঁচতে ঠিক কেমন হওয়া উচিত আপনার প্রস্তুতি।

.বর্ষা এলে বাড়ির চারপাশে ছড়িয়ে দিন কার্বলিক অ্যাসিড। কাচের বোতলে অ্যাসিড রেখে বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিন। দেখবেন, তা যেন শিশুদের নাগালের বাইরে থাকে। সাপ থাকলে তা অ্যাসিডের গন্ধে পালিয়ে যাবে।

.আশপাশের আবর্জনা নিয়মিত সাফাই করুন। বাড়ির বাগানেও আগাছা জমতে দেবেন না। এমনিতেই এখন মশা ও কীটনাশক দূরীকরণে সরকারি কাজে বাধা দিলে জরিমানার কথাও ভাবছে বিভিন্ন পুরসভা।

.বাড়ির চারপাশে কোনও ডোবা বা অপরিষ্কার জলাশয় থাকলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। সরকারি স্তরে তা জানিয়ে সেই জলাশয় পরিষ্কার বা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করুন। বাড়ির চারপাশে জল জমতে দেবেন না একেবারেই।

.কার্বলিক অ্যাসিডের সঙ্গে বাড়ির চারপাশে ডিডিটি, মশা মারার তেল ও ব্লিচিং পাউডার ছড়ান নিয়ম মেনে।

.বাড়িতে ইঁদুর বা ব্যাঙের হাজিরা থাকলে, সাপ বেশি আসে। তা তাড়ানোর ব্যবস্থা করুন আগে। চেষ্টা করুন, খুব ক্ষতি না করলে যে কোনও প্রাণীকেই না মেরে, স্রেফ তাড়াতে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও তা প্রয়োজন। সব চেয়ে ভাল, যদি এ সবের প্রবেশ আটকাতে পারেন। তার জন্য প্রতি দিন কাজ শেষে রান্নাঘর, বাথরুম ও বাড়ির অন্যান্য ঘরের নর্দমার মুখ আটকে রাখুন। বেশির বাগ সময়ে এ সব দিয়েই ঢোকে ব্যাঙ-ইঁদুর।

.ঘরে যাতে সাপ ঢুকতে না পারে, সে জন্য খেয়াল রাখুন বাড়ির কোথাও কোনও ফাঁকফোকর থেকে যাচ্ছে কি না। সে সব আগে বন্ধ করুন। এ ছাড়া বাড়ির চারপাশে সালফার পাউডার ছড়ান। এর গন্ধেও সাপ বাড়ির ভিতরে ঢুকতে পারবে না।


ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১০৩১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন