সর্বশেষ
সোমবার ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৯ নভেম্বর ২০১৮

বাংলাদেশে গ্ল্যাক্সোস্মিথের ওষুধ ব্যবসা বন্ধের ঘোষণা

শুক্রবার, জুলাই ২৭, ২০১৮

10.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশের বৃহৎ ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই কোম্পানি 'ব্যবসা পরিস্থিতি বিবেচনা করে' এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বাণিজ্যিক ঝুঁকিতে থাকা তাদের ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস ইউনিটের উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের প্রস্তাব করেছে।

তবে জিএসকে বাংলাদেশ তাদের কনজিউমার হেলথকেয়ার ব্যবসা চালিয়ে যাবে এবং ফার্মাসিউটিক্যাল ব্যবসা বন্ধের কোনো প্রভাব তাতে পড়বে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞপ্তিতে।

গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন তাদের ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিটের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিভিন্ন ওষুধ ও ভ্যাকসিন উৎপাদন ও বিক্রি করে আসছিল। আর তাদের কনজিউমার হেলথকেয়ার বিক্রি করছে হরলিকস, মালটোভা, বুস্ট, ভিভা, গ্ল্যাক্সোজ-ডি, সেনসোডাইন টুথপেস্ট ও হরলিকস বিস্কুটের মত পণ্য বিক্রি করছে বাংলাদেশে।

ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস ইউনিট বন্ধ হওয়ার কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া এক হাজারের বেশি কর্মীকে যথাযথ প্রাপ্য পরিশোধ এবং দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

ওষুধ খাতের কোম্পানি হিসেবে ১৯৭৬ সালের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৬ সালে শেয়ার মালিকদের ৫০০ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে ৫৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিলেও চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১৯ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১৫ টাকা ১৪ পয়সায় নেমে আসার কথা জানানো হয়।

৩০ জুন পর্যন্ত হিসাবে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭৮ টাকা ৪৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ১৮৩ টাকা ৯৩ পয়সা ছিল।

গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন তাদের কারখানা বন্ধ বা বিক্রি করে দিতে পারে বলে গত দুদিন ধরেই পুঁজিবাজারে গুঞ্জন ছিল। কারখানা বন্ধের 'ষড়যন্ত্র হচ্ছে' অভিযোগ করে কোম্পানির কর্মীরা ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনও করেন।

এর ধাক্কায় বৃহস্পতিবার এ কোম্পানির শেয়ারের দাম এক দিনেই ৮০ টাকা কমে ১২০৫ টাকায় নেমে আসে। গত নভেম্বরেও এই শেয়ারের দাম ১৭০০ টাকা ছিল।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির মোট শেয়ারের ৮১.৯৮ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৫.৯৩ শতাংশ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ০.৯১ শতাংশ শেয়ারের মালিক। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে মাত্র ১.১৮ শতাংশ শেয়ার।


ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ২৬৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন