সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ | ১৩ নভেম্বর ২০১৮

পদ্মার ভাঙ্গনে হুমকির মুখে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮

Pic1.png
শরীয়তপুর প্রতিনিধি :

নদী ভাঙ্গলে কিছুই থাকেনা,নদী কোন চিহ্ন ও রাখেনা, নদীর জ্বলের আলপনায় আঁকা থাকে হারিয়ে যাওয়া বসত বাড়ি আর জমি জিরাতের ছবি।যা শুধু দুঃস্বপ্ন হয়ে ভাসে নদী ভাঙ্গা মানুষের বিষণ্ণ বির্বন্ন মুখের বলি রেখায়।চোখের সামনেই চলে গেছে অসংখ্য মানুষের ভিটেমাটি।

রবিবার ( ২৬ আগস্ট)  সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসতলা থেকে মূলফৎগঞ্জ পর্যন্ত দুই কিলোমিটার পাকা সড়ক নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ফাটল দেখা দিয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সুরেশ্বর-নড়িয়া সড়ক যোগাযোগ। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মুলফৎগঞ্জ বাজার, নড়িয়া বাজার, পূর্ব নড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালপত্র।

গত এক মাসের পদ্মার ভাঙনে নড়িয়া উপজেলায় ৮ কিলোমিটার পাকা সড়কসহ সাড়ে ৪ হাজারের অধিক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

যাদের এবারের ঈদ যেন আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নের মতো।এর মধ্যে হুমকির মুখে পড়েছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মূলফৎগঞ্জ মাদ্রাসা সহ শত শত বাড়ি ঘর ও মসজিদ।

চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন বলেন, এ নিয়ে গত দুই দিনে এ এলাকায় ৩৫টি বাড়ি ও ৫ মসজিদ নদীগর্ভে চলে গেল। বহু মানুষ কোনও মালপত্রও সরাতে পারেননি। তারা এখন নিঃস্ব।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ এন ও) সানজিদা ইয়াসমিন বলেন,পদ্মা নদী ভাঙ্গনে নড়িয়া সুরেশ্বর এর ৮ কিলোমিটার সড়ক ভেঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।তবে ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে, যা আগামী অক্টোবর নভেম্বর মাসে কাজ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি।


ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // উ জ এই লেখাটি ৬১৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন