সর্বশেষ
বুধবার ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইউএস বাংলা দুর্ঘটনা: পাইলট আবিদ ছিলেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত

নেপালি প্রতিবেদন

সোমবার, আগস্ট ২৭, ২০১৮

US-Bangla-CCTV-5b83a991d6771.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মার্চে নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় পড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস২১১ ফ্লাইটের পাইলট প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। ঢাকা-কাঠমান্ডুর এক ঘণ্টার ফ্লাইটে তিনি ককপিটের মধ্যে ক্রমাগত ধূমপান করেছিলেন। এছাড়া অবতরণের সময় পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে মিথ্যা কথাও বলেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে দুর্ঘটনাটি নিয়ে নেপাল সরকারের তদন্ত দলের প্রতিবেদনে।

তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার দাবি করে এসব তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

নেপাল সরকারের অনুসন্ধানী তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে কাঠমাণ্ডু পোস্ট আরও লিখেছে, ওই সময়ে ব্যক্তিগত সমস্যা ও মানসিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন আবিদ। যার কারণে বিমান চালানোর সময় পরপর অনেকগুলি ভুল সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তার দিক থেকে আসা এসব ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ফ্লাইট বিএস-২১১ চলতি বছরের ১২ মার্চ দুপুরে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ফ্লাইটের পুরোটা সময় নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না আবিদ সুলতান এবং দুর্ঘটনার আগের দিন ইউএস বাংলার চাকরি তিনি ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। ক্লান্ত এবং অবসন্ন আবিদ বিমান চালানোর সময় বেশ কয়েকবার কেঁদেছেন বলেও দাবি করেন তারা।

কাঠমাণ্ডু পোস্ট লিখেছে, ফ্লাইটের পুরো সময়টায় প্রধান বৈমানিক আবিদের আচরণ তার স্বাভাবিক চরিত্রের সঙ্গে ‘সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না’, এ বিষয়টি আগেই নজরে আনা উচিৎ ছিল বলে নেপালি তদন্তকারীদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   

গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ কিউ 8০০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন ক্রুসহ ২৭ জন বাংলাদেশি, ২৩ জন নেপালি ও একজন চীনা যাত্রী নিহত হন। আহত হন নয়জন বাংলাদেশি, ১০ জন নেপালি ও একজন মালদ্বীপের নাগরিক।


ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৪৬১৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন