সর্বশেষ
রবিবার ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৮ নভেম্বর ২০১৮

‘রহস্যময় জাহাজটি’ বাংলাদেশে আসছিল

শনিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮

image-15056-1535788014.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন উপকূলের কাছে মারতাবান উপসাগরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকা ‘ভুতুড়ে জাহাজটিকে’ ভাঙ্গার জন্য বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

গত দুইদিন ধরে জাহাজটি নিয়ে মিয়ানমারে বেশ আলোচনা এবং দুদিন ধরে তদন্তের পর শনিবার মিয়ানমারের পুলিশ আরও জানিয়েছে, ‘স্যাম রাতুলাংগি পিবি ১৬০০’ নামে কন্টেইনার জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার।

স্থানীয় জেলেরা উপকূল থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে প্রথমে জাহাজটিকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে দেখে।  বিস্মিত এবং শঙ্কিত জেলেদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সেখানে যায় মিয়ানমার নৌ বাহিনী।  তারা জাহাজটিতে উঠে দেখে সেটিতে কোনো নাবিক বা ক্রু নেই। বিশাল জাহাজটিতে কোনো পণ্যও নেই।

অন্য একটি জাহাজ এটিকে তার দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে ঝড়ের ভেতর পড়ে দুটো তারই ছিড়ে গেলে কন্টেইনার জাহাজটি পাইলট জাহাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মিয়ানমার নৌবাহিনী তাদের রেডারের রেকর্ড ঘেঁটে দুটি জাহাজ দেখতে পায়। পরে বিস্তর অনুসন্ধানের পর উপকূল থেকে ৮০ কিলোমিটার দুরে পাইলট জাহাজটিকে খুঁজে পায়।

মিয়ানমার নৌবাহিনী তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়েছে ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স’ নামে ইন্দোনেশীয় ঐ পাইলট জাহাজটিতে ১৩ জন ক্রু ছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই ভূতুড়ে জাহাজটির রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০১ সালে তৈরি মালবাহী জাহাজটি সম্প্রতি অকেজো বলে ঘোষিত হওয়ার পর সেটিকে ভাঙার জন্য বাংলাদেশের চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। এটির ওজন ২৬,৫০০ টন।

দুটো জাহাজই এখন মিয়ানমারের নৌবাহিনীর কব্জায়। তারা জানিয়েছে, তদন্ত চলছে।

সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন


ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৩৪৩২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন