সর্বশেষ
বুধবার ২রা কার্তিক ১৪২৫ | ১৭ অক্টোবর ২০১৮

চকোলেট বোম বিক্রি করে কোটিপতি মিঠুদেবী, এরপর যা ঘটে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮

1537448517.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

একসময় কর্মী ছিলেন, বানাতেন চকোলেট বোম। তারপর তা শুরু করেন বাজারে বিক্রি। কয়েক বছরের মধ্যে কর্মী থেকে হয়ে ওঠেন কোটিপতি। ঘটনা ভারতের গাংনাপুর এলাকায়। কোটিপতি ওই মহিলার পুরো নাম মিঠু দেবী মণ্ডল। কিন্তু সুখ বেশিদিন কপালে টিকেনি মিঠু দেবীর। কয়েকদিন আগে নিজ কারখানায় বিস্ফোরণে মারা যান।   
 
ওই এলাকার অনেক বাসিন্দা বলেন, বাজিকর্মী হিসেবে গাংনাপুরে কাজ অতীতে অনেকেই করেছেন, কিন্তু মিঠুর মত উত্থান কারও দেখা যায়নি। নিজের জমির উপর গড়েছেন দোতলা বাড়ি। নিচে দোকান ঘর। বাড়ি থেকে খানিক দূরে বড় করে দিয়েছেন বাজি কারখানা। গাড়ি, মোটরসাইকেল সব করেছেন। কিছুদিনের পর আরেকটি বাড়ি ও জমি কেনার কথা চলছিল। দুই ছেলেমেয়ে বাইরে থাকেন। স্বামী নরেন মণ্ডল মারা যাওয়ার পর কারখানা সামলাতেন নিজের হাতে।
 
গত রবিবার আড়াইটে নাগাদ বিস্ফোরণের মিনিট দশেক আগে তিনি কারখানায় গিয়েছিলেন। সেখানে তুবড়ির মশলা তৈরি করছিলেন রঞ্জিত বিশ্বাস নামে একজন। পাশে চেয়ারে বসেছিলেন মিঠুদেবী। বোমা বিস্ফোরণে দু’জনেরই মৃত্যু হয়।
 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় চল্লিশ বছর আগে গাংনাপুরে বাজির কারখানাগুলি তৈরি হওয়া শুরু হয়। সে সময় বেলুড় থেকে কয়েক জন কারিগরকে নিয়ে এসেছিল কারখানা মালিকেরা। মৃত মিঠু মণ্ডলের স্বামী নরেন মণ্ডল ছিলেন তাদের একজন। চকলেট বোমা তৈরিতে বিশেষ দক্ষতা ছিল তার। মিঠুও সেই কারখানায় কাজ শুরু করেন। সেখানেই নরেনের সঙ্গে পরিচয় ও তার পর পরিণয়। নরেনই তাকে চকলেট বোমা তৈরির কৌশল শিখিয়ে দেন।
 
এরপর স্বামীর মারা গেলে নিজ দক্ষতা ও পরিশ্রমে কর্মী থেকে কোটিপতি হন মিঠু দেবী। বিস্ফোরণের পরে ওই এলাকার বিভিন্ন বাজির গুদাম এবং বিভিন্ন বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধারের অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১৮৯৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন