সর্বশেষ
শুক্রবার ৪ঠা কার্তিক ১৪২৫ | ১৯ অক্টোবর ২০১৮

দোকানে গিয়ে কীভাবে বুঝবেন আসল হীরা, নাকি নকল?

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮

hand_pic.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

অনেকে শখের বসে হীরার গয়না কিনে থাকেন। হীরার গয়না সব সময় ব্র্যান্ডের দোকান থেকে তো আর কেনা হয় না। অনেকে বিদেশ থেকে আনিয়ে নেন বা অন্য কারো কাছ থেকে কেনেন। তখন আসল হীরা চেনার উপায় জানা না থাকলে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। অন্তত আসল হীরা যদি চিনতে পারেন, তবে এত টাকা আর জলে যাবে না।

এই বিষয়ে ভারতের জনপ্রিয় অনলাইন গয়না শপিং-এর বিশেষজ্ঞ সুলভ আগারওয়াল জানিয়েছেন কিছু সাধারণ টিপসের মাধ্যমে খুব সহজেই কীভাবে আসল হীরা চেনা যায় তার উপায়।

আলোর প্রতিফলন দেখা:
আসল হীরা যেভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় তা সত্যিই দারুণ। হীরাতে আলো ফেললে এর ভেতরে ধূসর ও ছাই রঙের আলোকচ্ছটা দেখা যাবে, যাকে বলা হয় ‘ব্রিলিয়ান্স’। আর বাইরের দিকে প্রতিফলিত হবে রংধনুর রঙ যাকে বলা হয় ‘ফায়ার’। কিন্তু নকল হীরার ভেতরে রংধনুর রঙ দেখতে পাওয়া যাবে। মানুষের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, হীরা রংধনুর রং প্রতিফলিত করে। কিন্তু হীরা প্রতিফলনে বেশিরভাগ ধূসর ভাব থাকে।

রঙ:
তবে আমরা অনেকেই জানি না হীরার রঙের একটা তারতম্য আছে। এই বিষয়ে সুলভ বলেন, কিছু হীরা আছে যার বর্ণ হলুদ রঙের হয়ে থাকে। যাকে ক্যানারি হীরা বলা হয়ে থাকে। তবে হীরার রঙ গোলাপি, নীল, কালো, হলুদ এমনকি বহু ব্যবহৃত বর্ণহীন হয়ে থাকে। তবে পুরোপুরি বর্ণহীন হীরাকে গ্রেডিং ‘ডি’ ‘ই’ অথবা ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রায় বর্ণহীন অর্থাৎ কিছুটা রঙের ছটা থাকতে পারে ‘জি’ ‘এইচ’ অথবা ‘আই’ ক্যাটাগরিতে।

স্বচ্ছতা:
একটা হীরার প্রাকৃতিক প্রবাহ নির্ভর করে তার আকার আকৃতির ওপর। সুলভ বলেন, হীরার মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে কি পরিমাণ খুঁত থাকে তা নির্ণয় করেই আকার এবং আকৃতির ওপর ১০ পাওয়ারের অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে হীরা নির্ণয় করা হয়।

ক্যারট:
১ ক্যারেট হীরা সমান ০.২ গ্রাম। এই হিসেব মাথায় রেখেই হীরার ক্যারেট বিবেচনা করা হয়। এবং এই ১ ক্যারেট হীরাকে সেন্ট হারে বিক্রি করা হয়।

ক্যারেট ভেদে হীরার দামের তারতম্য হয়ে থাকে। যেমন ধরা যায়, ২ ক্যারেটের একটা হীরার দাম দুইটা হীরার চেয়েও বেশি হতে পারে। তাই ক্যারেট ভেদে হীরার দাম সেন্টে নির্ধারিত হয়ে থাকে। তবে হীরার মতোই যে পাথর দেখে অনেকেই হীরা ভেবে ভুল করেন তা হতে পারে- হোয়াইট টোপাজ, হোয়াইট স্যাফায়ার, কিউবিক জিরকোনিয়াম, মইসানাইট বা ল্যাব গ্রোন। তাই হীরা কিনার সময় কোন বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিলে ভালো হয়।


ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১৬০৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন