সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২৯শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

বশেমুরবিপ্রবির 'স্বাধীনতা দিবস হল' পরিচ্ছন্নতার স্বর্গরাজ্য ও শান্তির আবাস্থল

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮

iiii.jpg
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হল যেন পরিচ্ছন্নতা দেবীর এক স্বপ্নিল সৃষ্টি। পরিচ্ছন্নতা দেবীর যাদুদন্ডের স্পর্শে হলটি স্ব-মহিমায় বশেমুরবিপ্রবিতে গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে বিরাজ করছে।

হলের প্রধান ফটক দিয়ে ভিতরে ঢুকতেই চোখে পড়বে সারি সারি নানা প্রজাতির ফুল ও ফল গাছ। রঙ বেরঙ এর ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে ও মনহরণ করা সুবাসে মুহূর্তেই মোহান্বিত হবে হৃদয়। স্বর্গের সুধা এখানে অনবরত বর্ষিত হচ্ছে যা মোহ সৃষ্টিতে দক্ষ।

মাধুকরী, বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা স্বাধীনতা দিবস হলে অবলীলাক্রমে বিচরণ করছে। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকন করে যেকোন কাব্যিক হৃদয়ের অধিকারী মানুষ নিজের অজান্তেই অস্ফুট স্বরে প্রকৃতির বন্দনাগান রচনা করবে।

এ বিষয়ে মুহাম্মদ রবি উল্লাহ বলেন, হলের সার্বিক শৃঙ্খলার বিষয়াদি বিবেচনা করে হল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে হবে। ডাইনিং এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়েছে যারা সর্বদা হলের বিভিন্ন বিষয় দেখাশোনা করার পাশাপাশি হলের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় হল কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করছে এবং তিনি সকল শিক্ষার্থীকে হলের সুষ্ঠু সুন্দর ও স্বাথ্যসম্মত পরিবেশ রক্ষায় আন্তরিকতার সহিত এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিশ্ববিদ্যালের এক শিক্ষার্থী এস.এম.তিতুমীর হাসান বলেন, এই স্বর্গরাজ্যের রচয়িতা স্বাধীনতা দিবস হলের প্রাধ্যক্ষ অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ রবি উল্লাহ। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের নেতৃত্বে প্রাধ্যক্ষ স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমে হলটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও শান্তির আবাসস্থল রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে ডাইনিং এর ম্যানেজার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর তুহিন বলেন, হল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও খাবারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা স্যারের আদেশ মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি এবং ডাইনিং এর সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিন্ত করতে পেরেছি। ডাইনিং এ ছাত্ররা বসে যাতে খাবার খেতে পারে এজন্য বসার সুব্যবস্থা করা হয়েছে এবং খাবার রুমে নিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে খাবারের উচ্ছিষ্ট যেখানে সেখানে ফেলে হলকে নোংরা না করতে পারে। তিনি আরো বলেন, হলকে নিয়ে স্যারের পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন হলে স্বাধীনতা দিবস হল অনুসরণীয় হল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করছি।


ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন