সর্বশেষ
রবিবার ১লা পৌষ ১৪২৬ | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

দশ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৪৯ শতাংশ

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮

7_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

সরকারের পরিচ্ছন্ন এবং দারিদ্র্য মুখী নীতি প্রণয়নের ফলে ২০০৮ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গত দশ বছরে সকল সামাজিক সূচক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথা পিছু আয় বেড়েছে ১৪৯.০৭ শতাংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের মাথা পিছু আয় ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে ৭০৩ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭-২০ ১৮ অর্থ বছরে ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, কার্যকর পদক্ষেপ এবং দীর্ঘ মেয়াদী নীতি প্রণয়নের ফলে গত দশ বছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃিদ্ধ, মাথা পিছু আয়, খাদ্য উৎপাদন, রেমিটেন্স, মুদ্রাস্ফীতি, আমদানি ও রফতানি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে। ২০০৯ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.০৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে ৭.৮৬ শতাংশ হয়েছে। এ সময় রেমিটেন্স প্রবাহ ৯,৬৮৯.২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪,৯৮১.৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৭,৪৭০.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৩২,৯৪৩.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।

আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, সরকারের পরিচ্ছন্ন এবং দারিদ্র্য মুখী নীতি কর্মসূচী গ্রহণ দারিদ্র্য হ্রাসে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ছাড়া সামাজিক গতিশীলতা এবং নারীর ক্ষমতায়নে এবং মানব উন্নয়ন সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০০৮ সালে দেশে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৬.৮ বছর। ২০১৭ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। দারিদ্র্যতার হার ২০০৯ সালের ৩১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২০১৮ সালে হয়েছে ২৪.৩ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ১৭.৬ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে হয়েছে ১২.৯ শতাংশ।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দশ বছরে ইতিবাচক অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ সাফল্যজনকভাবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বিগত দশ বছরে ৬ শতাংশ জিডিপি অর্জনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং সারাদেশে অবকাঠামো উন্নয়ন হয়। তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে সরকার উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ, গ্যাস ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশে একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচী বাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

অর্থমন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে সরকার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছে। আগের অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে বাজেট ছিল ৯৯,৯৬২ কোটি টাকা।


ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৬৮৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন