সর্বশেষ
বুধবার ২৮শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

আগাম ক্ষীরা চাষে ব্যস্ত শাহজাদপুরের চাষিরা

সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮

15.jpg
শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মাঠে মাঠে বন্যার পানি থাকলেও উঁচু জমিতে আগাম জাতের ক্ষীরা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকেরা। বন্যার পানি জমিতে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সম্ভাব্য পানি প্রবেশের রাস্তাগুলো মাটির বস্তা দিয়ে বন্ধ করে পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন চাষিরা। ফলন ও দাম ভাল পেলে লাভবান হবেন ক্ষীরা চাষিরা।

গাড়াদহ গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, প্রায় একশ বিঘা জমিতে আগাম ক্ষীরার চাষ করেছেন চাষিরা। জমি উত্তমরূপে চাষ করে ভাল জাতের ক্ষীরার বীজ বপন করেছে। বীজগুলো অঙ্কুরোদগম হয়ে লতায় পরিণত হয়েছে। জমিতে নিড়ানি দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। দিন রাত পরিশ্রম করে ফসলটি ফলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। মাঠে ঘুরে ঘুরে পরামর্শ দিতে দেখা যাচ্ছে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদেরকেও। যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে তাহলে খুব শীঘ্রই কৃষকেরা জমি থেকে ক্ষীরা সংগ্রহ করে বাজারজাত করতে পারবেন।

গাড়াদহ গ্রামের ক্ষীরা চাষি রোশনাই প্রামানিক জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও তিনি তিন বিঘা জমিতে ক্ষীরার চাষ করেছেন। চাষ থেকে শুরু করে এ যাবৎ প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরো প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে। যদি ফলন ভালো হয় এবং কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে তাহলে ৩ বিঘা জমি থেকে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ২ লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মনজু আলম সরকার জানান, এবছরে প্রায় দুইশ হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। অনেক উঁচু জায়গাগুলোতে আগাম জাতের ক্ষীরার চাষ শুরু হয়েছে। বন্যার পরেও নিচু জমিতে ক্ষীরার চাষ হবে। এই ফসলটি দুই মাসের ফসল। বপনের ত্রিশ দিনের মধ্যেই ফসল হারভেষ্ট শুরু হয়। মাঠে ঘুরে ঘুরে পরামর্শ দিচ্ছে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। আশা করি ভাল ফলন ও দাম পেলে চাষিরা লাভবান হবেন।


ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন