সর্বশেষ
রবিবার ৭ই আশ্বিন ১৪২৬ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮

kolon-cancer-somoy-131653.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

কোলন ক্যান্সার জটিল একটি রোগ। এই রোগ প্রথম দিকে শনাক্ত করাটা মুশকিল। এমন পর্যায়ে গিয়ে ধরা পড়ে যখন আর করার কিছু আসলে থাকে না। তবে প্রথম দিকে যদি শনাক্ত করা হয় তবে ঝুঁকিটা কমে আসবে। এই রোগে নারীর তুলনায় পুরুষেরা বেশি আক্রান্ত হয় দেখে নিন কোলন ক্যান্সারের লক্ষণগুলো।


কোলন ক্যান্সার কী: পরিবেশ বা বংশগত প্রভাবের কারণে মলাশয়ের মিউকোসাল এপিথেলিয়ামের টিউমারটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমারে পরিণত হলে তখন তাকে কোলন বা মলাশয়ের ক্যান্সার বলে। এটি সাধারণত মলাশয় এবং মলদ্বারের সংযোগস্থানে হয়। সম্ভাবনার দিক দিয়ে গ্যাস্ট্রিক, খাদ্যনালী এবং কোলন ক্যান্সারের মধ্যে এর স্থান দ্বিতীয়। সাধারণত ৪০-৫০ বছর বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে এই ক্যান্সার বেশী দেখা যায়। এছাড়া ৪০ বছরের নিচে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ১৫% ।

ক্যান্সার নির্ণয়ে প্রাথমিক লক্ষণ: হার্নিয়া না অন্য কিছু, পাইলস বা অর্শরোগ, ফিস্টুলা বা ভগন্দর, বিরক্তিকর পেটের সমস্যা, এনাল ফিশার।

কোলন ক্যান্সার বুঝবেন যেভাবে:

প্রাথমিকভাবে কোলন ক্যান্সার নির্ণয় অত্যন্ত কঠিন। কেননা প্রথমদিকে রোগটির তেমন কোনো উপসর্গ বোঝা যায় না। কোলন বা মলাশয়ের কোন জায়গায় ক্যান্সার রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে উপসর্গের বিভিন্নতা দেখা যায়।

রক্ত কিংবা পেটে ব্যথা: কোলন ক্যান্সার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে পায়খানার সঙ্গে রক্ত কিংবা পেটে ব্যথা। অধিকাংশ রোগী প্রথম এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য: মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন অথ্যাৎ কখনও ডায়রিয়া, কখনও কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তশূন্যতা, দূর্বলতা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রোগটির প্রাথমিক লক্ষণ।


অতিরিক্ত ওজনশূন্যতা: অতিরিক্ত ওজনশূন্যতা, পেটে চাকা, পেটে পানি, কাশির সঙ্গে রক্ত ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেবে।

রোগ নির্ণয়:

প্রধান উপাদান কোলন্সকোপি ও বায়োপসি। বায়োপসি’র মাধ্যমে ক্যান্সার নির্ণয়ের পর সিটি স্ক্যান, রক্তে এন্টিজেন (CEA) এর পরিমাণ ইত্যাদি বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সারের ধাপ নির্ণয় (staging) করা হয়।

চিকিৎসা:

কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা এক-কথায় অপারেশন। অপারেশনের আগে বা পরে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়।

ক্যান্সার কঠিন রোগ হলেও এর উপযুক্ত চিকিৎসা রয়েছে। রোগীদের সচেতনতা এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা ব্যয় সরকারী হাসপাতালগুলোতে অত্যন্ত কম। রোগীদের প্রতি অনুরোধ যে কোনো রোগ সম্পর্কে পরিচিত জনের পরামর্শ না নিয়ে নূন্যতম এমবিবিএস চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৩১৮২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন