সর্বশেষ
শুক্রবার ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর

সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮

image-12844-1517318032.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’তে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তার সম্মতির ফলে আইনটি কার্যকর হয়ে গেলো।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সাতটি বিলে রাষ্ট্রপতি সই করেছেন।

সাংবাদিক মহল ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের আলোচনার মধ্যেই গত ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল-২০১৮’ পাস হয়। এ আইনের বহুল আলোচিত ৩২ ধারাসহ কয়েকটি ধারা নিয়ে সাংবাদিকরা আপত্তি জানিয়ে এসেছে।

এসব ধারা রেখে আইনটি বাস্তবায়ন হলে ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি’ হয়ে উঠবে আপত্তি জানিয়ে সম্পাদক পরিষদ মানববন্ধনের ঘোষণাও দিয়েছিলেন। এর প্রেক্ষিতে তাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসেন আইন, তথ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী। সেখানে গণমাধ্যমের আপত্তিতে থাকা ধারাগুলো আলাপ–আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল হবে। তবে এই আইনটিতেই বিতর্কিত ৫৭ ধারার বিষয়গুলো চারটি ধারায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশকে পরোয়ানা ও কারও অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই আইনে ঢোকানো হয়েছে ঔপনিবেশিক আমলের সমালোচিত আইন ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’। আইনের ১৪টি ধারার অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য। বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এই আইন লঙ্ঘন হয়, এমন অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে।

এই আইনের অধীনে সংগঠিত অপরাধ বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সময়ে সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে। আইনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকারসংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর বিধানাবলি কার্যকর থাকবে।

সম্প্রতি গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ আইনের প্রসঙ্গে বলেন, যাদের অপরাধী মন নেই, তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নোংরামি ঠেকাতেই এ আইন করা হয়েছে।


ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৮৯০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন