সর্বশেষ
শুক্রবার ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ১৫ নভেম্বর ২০১৯

আ.লীগের উন্নয়ন দেখে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট চাওয়ার দরকার : জ্যাকব

ভোলার মনপুরায়

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

Jakob.png
ভোলা প্রতিনিধি :

জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে প্রার্থী বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী প্রচারনায় বলেন ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায়  মনপুরা ও চরফ্যাসন উপজেলার কোন উন্নয়নের ছোয়া পায়নি । শুধু  আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন করাটাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য । তারা পারেনি অবহেলিত উপজেলা মনপুরা ও চরফ্যাশনে কোন উন্নয়ন ঘটাতে। তারা কোন মুখ নিয়ে ভোটারদের কাছে আসবে ভোট চাইতে।

মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর)  মনপুরার নতুন রামনেওয়াজ বাজারে প্রথম নির্বাচনী সভায় ভোলা -৪ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব একথা বলেন।

এসময় জ্যাকব আরো বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নদী ভাঙ্গা রোধ থেকে শুরু করে ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট নির্মান,স্কুল ভবন নির্মান, ফায়ার সার্ভিস স্থাপন, সাবরেজিষ্টার ভবন নির্মান সহ সকল উন্নয়ন কাজ করেছেন যা এই অবহেলিত উপজেলা মনপুরা ও চরফ্যাশন মানুষদের উপকারে এসেছে।

এসব উন্নয়ন  দেখে বিএনপি’র প্রার্থীর ভোট চাওয়ার দরকার। উপমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন পানি সম্পদ মন্ত্রী মেজর হাফিজের বাড়ি ছিল ভোলার লালমোহনে। কিন্তু বিএনপির প্রার্থী তার কাছ থেকে নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্পের এক টাকার কাজ আনতে পারেনি।

আমি যখন আওয়ামী লীগ সরকার থেকে ভোলা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর এই অঞ্চলের প্রধান সমস্যা ও আপনাদের প্রধান দাবী নদী ভাঙ্গন রোধে উপজেলা শহর রক্ষা বাঁধে ৪২ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ করি। উপজেলা মনপুরাকে বাঁচাতে নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্পে ১৯২ কোটি টাকার বরাদ্ধ আনি। যার কাজ শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। আগামীতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে  উপমন্ত্রী গত দশ বছরের চরফ্যাসন-মনপুরা  প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বর দিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করবেন।

নির্বাচনী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আ.লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শেলিনা আক্তার চৌধুরী, আ.লীগ সহসভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক, আ.লীগ সম্পাদক একেএম শাহজাহান মিয়া, আ’লীগের যুগ্ন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজল, ইউপি চেয়ারম্যান আমানত উল্লা আলমগীর, আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক মজনু ফরাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক বায়জিদ কামাল, যুবলীগ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন হাওলাদার, ছাত্রলীগ সভাপতি শামসুদ্দিন সাগর, সম্পাদক সুমন ফরাজী, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নিজামউদ্দিন মিয়া, সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আযম সহ আ.লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

আবদুল্লাহ নোমান, ভোলা প্রতিনিধি।


ঢাকা, মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // উ জ এই লেখাটি ৪৩১৭৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন