সর্বশেষ
শুক্রবার ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ২২ নভেম্বর ২০১৯

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ ছাড়

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

bangladesh-bank.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে রেপোর (পুনঃক্রয় চুক্তি) মাধ্যমে অর্থ সরবারহ শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার(১৪ অক্টোবর)সন্ধ্যায় বেসরকারি সিটি ব্যাংককে ৫০ কোটি টাকার তহবিল ছাড় দিয়েছে। ব্যাংকটি নিজস্ব পোর্টফোলিওতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।

 

সিটি ব্যাংক আজ মঙ্গলবার থেকেই তহবিলের অর্থ নিজস্ব পোর্টফোলিওতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রেপোর আওতায় প্রাপ্ত তহবিল ব্যাংকটি নিজে সরাসরি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পাশাপাশি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগের জন্য ঋণ দেবে। এজন্য ব্যাংক ও তাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজের নামে দুটি পৃথক বিও অ্যাকাউন্টও খুলেছে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ অর্থ বাজারে কী প্রভাব পড়বে জানতে চাইলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ব্রোকারেজ হাউসের মালিকদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পুঁজিবাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেপোর অর্থ আসছে এটা ভালো খবর। এটা বিনিয়োগকারীদের কিছুটা স্বস্তি দেবে। এটাকে আমরা স্বগত জানাই। 

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ অর্থ পুঁজিবাজারে আসছে এটা ভালো খবর। ফলে বাজারে বিনিয়োগ বাড়বে, তারল্য সংকট কমবে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আস্থা ফিরবে। তবে ১৫টির মতো ব্যাংক রেপোর অর্থ নেয়ার সক্ষমতা থাকলেও মাত্র একটি ব্যাংক এ অর্থ নিচ্ছে। এটা খুবই সামান্য। সবগুলো ব্যাংক এ অর্থ নিয়ে বিনিয়োগ করলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে প্রত্যাশা করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

 

উল্লেখ, আস্থা ও তারল্য সঙ্কটে ধুঁকতে থাকা পুঁজিবাজারে গতি ফেরানোর লক্ষ্যে গত মাসে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। এর একদিন পর গত ২২ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানোর সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা অর্থ যোগান দেওয়ার লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগান দেওয়া এই তারল্য বা অর্থ যাতে পুঁজিবাজারেই বিনিয়োগ হয়, সেজন্য ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারিকে পৃথক বিও হিসেব খুলতে হবে। ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত তারল্য হতে ট্রেজারি বন্ড বা বিল রেপোর মাধ্যমে এই তারল্য সুবিধা গ্রহণ করতে হবে। ট্রেজারি বন্ড বা বিলের রেপো মূল্যের ৫ শতাংশ মার্জিন রেখে তারল্য সুবিধা নিতে পারবে ব্যাংক। এর অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক তার অতিরিক্ত ট্রেজারি বন্ড ও বিলের বাজার মূল্যের ৯৫ শতাংশ অর্থ রেপোর আওতায় নিতে পারবে। আর এ তহবিলের অর্থ ব্যাংকগুলো ২৮ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

সার্কুলারে বলা হয়, সার্কুলার জারির তারিখ থেকে আগামী ৩  মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর 

আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়।

 


ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // রি সু এই লেখাটি ৭৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন