সর্বশেষ
রবিবার ১১ই ফাল্গুন ১৪২৬ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বাজারে ওয়াই-ফাই ৬, এর কার্যকারিতা কী

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২০

wifi-6_blog_banner.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে ১০ জানুয়ারি সমাপ্ত কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শোতে ওয়াই-ফাই ৬ নির্ভর বেশ কিছু রাউটার ও অনুষঙ্গের দেখা মিলেছে। এর পর থেকে সবাই বলছেন, অবশেষে এল ওয়াই-ফাই ৬। বাংলাদেশে কবে আসবে বা এর সুফল কী? এ উত্তরটা জমা থাকলেও আপাতত জেনে নেয়া যাক এর কার্যকারিতা কী?

এত দিন ওয়াই-ফাই যা করে এসেছে, ওয়াই-ফাই ৬ সে কাজটাই করবে। মানে ইন্টারনেটে যুক্ত হতে সাহায্য করবে। তবে নতুন কিছু প্রযুক্তি থাকায় গতি বাড়বে, সংযোগ আরো কার্যকর হবে। ওয়াই-ফাই ৫-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ৩.৫ গিগাবিট। আর ওয়াই-ফাই ৬ দেবে সর্বোচ্চ ৯.৬ গিগাবিট গতি। এভাবে বললে অবশ্য উত্তরটা সঠিক হয় না। কারণ, সংখ্যা দুটি তাত্ত্বিক। আর এতটা গতি ঠিক কাজেও লাগে না।

ওয়াই-ফাই ৫ যখন এসেছিল, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি প্রতিগড়ে পাঁচটি ওয়াই-ফাই যন্ত্র ছিল। এখন সংখ্যাটি বেড়ে ৯-এ দাঁড়িয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বলছে, বছর কয়েক পর আমাদের বাড়িতে গড়পড়তা ৫০টি ওয়াই-ফাইযুক্ত যন্ত্র থাকবে। একই নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্রের সংখ্যা যত বেশি হবে, নেটওয়ার্কের মান তত কমতে থাকবে। ওয়াই-ফাই ৬ সে নেটওয়ার্কের মান বাড়াবে। রাউটারকে একই সঙ্গে আগের চেয়ে বেশি যন্ত্রের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করবে।

হুট করে ‘ওয়াই-ফাই ৬’ শুনতে বেশ খটকা লাগে। সেই প্রথম থেকে এত দিন শুধু ‘ওয়াই-ফাই’ শুনে এসেছি। যারা কারিগরি দিকটা বোঝেন, তারা হয়তো ৮০২.১১জি, ৮০২.১১এ, ৮০২.১১এ বা এই জাতীয় শব্দগুলো জেনে থাকবেন। মূলত সেগুলোই ছিল ওয়াই-ফাইয়ের সংস্করণ নম্বর। সম্প্রতি ওয়াই-ফাই অ্যালায়েনস ব্যাপারটি সহজ করতে ১, ২, ৩...এমন সংস্করণ নম্বর দিয়েছে। সূত্র: দ্য ভার্জ।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন