সর্বশেষ
শুক্রবার ২০শে চৈত্র ১৪২৬ | ০৩ এপ্রিল ২০২০

অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাসও ক্ষতিকর

রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২০

main-qimg-b953768269219eeb5b23b268e837e554.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

অতিরিক্ত যেকোনো কিছুই ক্ষতিকর, স্বাস্থ্যকর অভ্যাসও এর ব্যতিক্রম নয়। স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের অতিরিক্ত অনুশীলনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জেনে নিন....

অতিরিক্ত দাঁত ব্রাশ:
অনেকে দুইবেলা দাঁত ব্রাশ করেন না। তবে কিছু মানুষ আছেন যারা আবার প্রতিবেলা খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করেন, যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। প্রয়োজনের বেশি দাঁত ব্রাশ করার কারণে দাঁতের ‘এনামেল’য়ের আস্তর ক্ষয়ে যায় মাড়ি ভেতরের দিকে ঢুকে যেতে থাকে। দুই কারণেই দেখা দিতে পারে একাধিক দাঁত ও মাড়ির রোগ। তাই সবসময় নরম ‘টুথব্রাশ’ ব্যবহার করা উচিত। আলতো চাপে ছোট ঘষায় দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ‘টুথব্রাশ’য়ের ‘ব্রিসলস’ ছড়িয়ে যেতে থাকলে বুঝতে হবে আপনি বেশি চেপে দাঁত ব্রাশ করছেন।

অতি মাত্রায় ভিটামিন সেবন:
প্রতিদিন ‘মাল্টিভিটামিন’ ওষুধ সেবন আদৌ কতটুকু প্রয়োজন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে এখনও। এদের মধ্যে শক্তিশালী ভিটামিন ওষুধগুলো আবার হিতে বিপরীত ঘটাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, “দৈনিক চাহিদার চারগুন বেশি ভিটামিন সেবন ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।”

দীর্ঘদিন প্রয়োজনের বেশি ভিটামিন গ্রহণ করার কারণে কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধির ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই যারা নিয়মিত ‘মাল্টিভিটামিন’ সেবন করেন তাদের উচিত এমন ওষুধ বেছে নেওয়া যা দৈনিক ভিটামিন চাহিদার বেশি ভিটামিন সরবরাহ না করে।

অতিরিক্ত ভোজ্য আঁশ গ্রহণ:
খুব কম সংখ্যক মানুষই শরীরের দৈনিক ভোজ্য আঁশের চাহিদা পূরণ করতে পারেন। তবে এখানেও কিছু স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ আছেন যারা অতিরিক্ত ভোজ্য আঁশ গ্রহণ করে উপকারের বদলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ডেকে আনেন। অতিরিক্ত ভোজ্য আঁশ খেলে পেটে গ্যাস হয় ও ফোলাভাব দেখা দেয়। তাই আঁশ গ্রহণের মাত্রা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ধৈর্য্য রাখতে হবে। অল্প অল্প করে খাদ্যাভ্যাসে আঁশের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

শরীরচর্চা:
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব অসংখ্য মানুষ মুটিয়ে যাচ্ছেন, আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন প্রানঘাতি রোগে। তবে কিছু শরীরচর্চা অনুশীলনকারী আবার সুঠাম, পেশিবহুল দেহ পাওয়ার লক্ষ্যে বাড়াবাড়ি করে ফেলছেন। প্রতিবার শরীরচর্চায় শরীরের ওপর যে ধকল যায় তা মেরামত করার জন্য শরীরকে সময় দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শরীরচর্চার গুরুত্ব নিয়ে মানুষ যতটা সচেতন, শরীরের ক্ষয়পূরণ নিয়ে ততটা সচেতনতা নেই বললেই চলে। তাই লম্বা সময় শরীরচর্চা করার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে।

অতিরিক্ত ঘুম:
ঘুমের ঘাটতি বর্তমান যুগে অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। ঘাটতি না থাকাই যেন অস্বাভাবিক। তবে কিছু মানুষ ঘুমের ঘাটতি পূরণ তো করছেনই বরং অতিরিক্ত ঘুমিয়ে ফেলছেন। কর্মব্যস্ত মানুষগুলো এদেরকে হিংসা করলেও প্রকৃতপক্ষে বেশি ঘুমানো মানুষগুলোও বিপদ ডেকে আনছেন নিজেদের জন্যই। আবার ছুটির দিনে বেশি ঘুমিয়ে পুরো সপ্তাহের ঘুমের ঘাটতি মেটানোর চিন্তাটা স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যারা দিনে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমান, তাদের ‘আলৎঝাইমার’স ডিজিজ’য়ে আক্রান্ত হওয়া আশঙ্কা বেড়ে যায় দ্বিগুন।


ঢাকা, রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ২৮১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন