সর্বশেষ
রবিবার ২২শে চৈত্র ১৪২৬ | ০৫ এপ্রিল ২০২০

ফল আমদানিতে চীনের বিকল্প সন্ধান

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২০

razzak-5cefc28d25253.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস দেড় মাস আগে ছড়িয়ে পড়ার পর চীনের জনজীবনে ঘটেছে ছন্দপতন। হুবেই প্রদেশে মানুষ ঘর থেকেই বের হচ্ছে না। বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন শহরে। বিশ্বের অনেক দেশই চীনের সঙ্গে যে কোনো কার্যক্রম থেকে দূরে থাকছে।

সেই ধারাবাহিকতায় চীনকে বাদ রেখে অন্য দেশ থেকে ফল আমদানি করছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও। মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ফল আমদানিকারকরা একথা জানান। কৃষিমন্ত্রীও আপাতত চীন থেকে ফল আমদানির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করেন।

চীনের ফল আমদানি না করলেও বাংলাদেশে চাহিদার কোনো সমস্যা আপাতত হচ্ছে না বলে আশ্বস্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফ্রেশফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিমুল হক ইসা সাংবাদিকদের বলেন, চীনে নববর্ষের ছুটি চলছিল ২০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, এর আগে যেগুলো এলসি সেগুলো আসছে। বাকিগুলো তারা বন্ধ করে রেখেছে। ওরাও লেবার পাচ্ছে না এক্সপোর্ট করার জন্য, এজন্য সে ফল আসবে না, বলেন ইসা।

এক-দুই মাস চীন থেকে ফল আমদানি বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের বাজারে সমস্যা হবে না বলে দাবি করেন তিনি। আসন্ন রোজায় তার প্রভাব পড়বে কি না- প্রশ্ন করা হলে ইসা বলেন, রোজার মধ্যে সমস্যা হবে না। কারণ আমরা অন্যান্য দেশ যেমন চিলি, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফল আমদানি শুরু করেছি।

কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, আমদানিকারকদের অনুরোধ করব, চায়না থেকে এ মুহুর্তে ফল আমদানিতে ডিসকারেজ করব, যদিও ফলের মাধ্যমে এ ভাইরাস আসে না। চীন থেকে বিভিন্ন ধরনের আপেল, কমলা, নাশপাতি ও আঙুর বাংলাদেশে আমদানি হয়ে থাকে। বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার মতো ফল আমদানি করে, যার বড় অংশই আসে চীন থেকে।


ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন