সর্বশেষ
সোমবার ১৩ই আশ্বিন ১৪২৭ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

চসিক নির্বাচনে ভোট ইভিএমে, বিএনপির অনাস্থা

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২০

3.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

ঢাকার দুই সিটি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনের পর এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনেও ভোট হবে ইভিএমে। এতে গোপন কক্ষে দলীয় কর্মীর উপস্থিতিসহ নানা অসঙ্গতির কারণে ডিজিটাল ভোট কারচুপির আশঙ্কা করছে বিএনপি। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, ইভিএমই ভোটগ্রহণের সর্বোত্তম পদ্ধতি।

চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট পড়েছে মাত্র ২৩ শতাংশ। আর ঢাকা দুই সিটিতে পড়েছে ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ। এ পদ্ধতিতে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ায় নানা বিতর্ক আর সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। এরপর বগুড়া, যশোর, গাইবান্ধা ও বাগেরহাটের উপনির্বাচনে ইভিএম থেকে সরে আসলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েচে নির্বাচন কমিশন।বিএনপি ডিজিটাল ভোট কারচুপির আশঙ্কা করলেও আওয়ামী লীগ বলছে ভিন্ন কথা। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ব্যালট পেপারে যেমন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ছেলেরা জোর করে ভোট নৌকায় নিয়ে নিচ্ছে। এই ধারণা যেহেতু সবার হয়ে গেছে। এই ধারণা থেকে ভোটমুখী করা দায়িত্ব এখন ইসির।চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন

বাবুল বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হলে, আমরা সত্যিকারের নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত ভোট সম্পন্ন করতে পারব।দ্রুত ফলাফল পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ইভিএমে কোনো সমস্যা নেই বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, যারা ইভিএমে ভোট দিয়েছে। তারা কিন্ত সন্তষ্ট প্রকাশ করেছেন। আর এ ইভিএমের মাধ্যমে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফলাফল দিতে পেরেছি। তাই চট্টগ্রামেও ইভিএমের মাধ্যমে ভোট সম্পন্ন করতে পারলে সেখানে সুফল পাব।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন