সর্বশেষ
শনিবার ২৩শে জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ০৬ জুন ২০২০

সকলের দ্বারে খাবার পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০

prim-bg20190505001018-1909271028.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

তাঁর সরকার মানুষের দোরগোড়ায় খাদ্য পৌঁছে দিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে এই দু:সময়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রাণঘাতী রোগের বিস্তার রোধে দেশব্যাপী বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় কাজ না পেয়ে দিনমজুর ও ছোট ব্যবসায়ীসহ অনেক লোক কষ্টে তাঁদের দিন কাটাচ্ছেন, কাজেই প্রতিটি দ্বারে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি রোববার সন্ধ্যায় তাঁর সরকারী বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে পিএমও’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক গ্রহণকালে এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস পিএমও’তে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন।

শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে নিজ দল আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় প্রশাসন সকলকে বিশেষ করে যারা সামাজিক মর্যাদার কারণে ত্রাণ চাইতে পারছেন না সেসব দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘সমাজে একটা বড় অংশ রয়েছে, যারা মর্যাদার কারণে সাহায্য চাইতে পারেনা। আমাদের তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

করোনা ভাইরাসের বিপক্ষে লড়াইয়ে অবদান রাখার জন্য সংগঠনগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই গুরুত্বপুর্ণ সময়ে আপনারা যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাঁদের সবাইকে আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। জাতি আপনাদের এই অবদান চিরকাল স্মরণ করবে।’

করেনাভাইরাসের মহামারি প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী বিরূপ প্রভাব ফেলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত করোভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সকলে স্বাস্থ্য বিধি সঠিকভাবে মেনে চললে এই পরিস্থিতি আমরা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ।’

তাঁর ত্রাণ তহবিলে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানের অনুদানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নীতি অনুসরণ করে সবাই যদি তাঁদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে দেশে বর্তমানে যে সমস্যাটি রয়েছে তা অচিরেই দূর হয়ে যাবে।

এই ভাইরাসটি ধনী এবং গরিব উভয়ের জন্যই হুমকি নিয়ে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসটি ধনী বা দরিদ্রদের জন্য একই ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ না থাকার বিষয়টিই প্রমাণ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পুনরায় পবিত্র শবে বরাতের রাতে নিজ ঘরে অবস্থান করেই দেশবাসীকে ইবাদত-বন্দেগী করার এবং দেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে করোনার কবল থেকে রক্ষার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করার আহবান জানান। তিনি করোনাভাইরাস ছাড়ানো প্রতিরোধের জন্য বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ, কোথাও জনসমাগম না করে বরং ঘরে অবস্থান করে রেডিও, টেলিভিশন এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সাহায্যে উদযাপনের আহবানও পুনর্ব্যক্ত করেন।


ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২৫৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন