সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২২শে শ্রাবণ ১৪২৭ | ০৬ আগস্ট ২০২০

পূর্ব রাজাবাজার লকডাউন, মানতে হবে যেসব নিয়ম

মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২০

Lockdown-1-1024x585.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১২টার পর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে লকডাউন করা হচ্ছে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকা। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও মোকাবিলার লক্ষ্যে ডিএনসিসি এলাকার জন্য গঠিত কমিটির এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্ব রাজাবাজার এলাকার নাজনিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), এটুআই, ই-কমার্স অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। এলাকায় একটি মাত্র প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ (গ্রিন রোডে অবস্থিত আইবিএ হোস্টেলের পাশের সড়ক) খোলা থাকবে। লকডাউন চলাকালে এই এলাকায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। জনগণের চলাচল অত্যন্ত সীমিত রাখা হবে।

লকডাউন চলাকালে পূর্ব রাজাবাজার এলাকায় বসবাসরত লোকজন বাইরে যেতে পারবেন না এবং বাইরের লোকজন এ এলাকার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য-পণ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয় করা যাবে, যা বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। এটুআই ও ইক্যাব যৌথভাবে এটি পরিচালনা করবে। হোম ডেলিভারির জন্য ইতোমধ্যে একদল প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী তৈরি করা হয়েছে। যাদের অনলাইন সুবিধা নেই, নগদ অর্থে খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করতে চান, তাদের জন্য দুই-একটি শাক-সবজি, মাছ-মাংসের ভ্যান, ভ্যানচালক ও পণ্যসামগ্রী সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে ভেতরে প্রবেশ করানো হবে। ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান ইরান পূর্ব রাজাবাজার এলাকার কর্মহীন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন। তালিকা অনুযায়ী, তাদেরকে ডিএনসিসি থেকে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হবে।

এছাড়া এই এলাকার অসুস্থ রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে টেলিমেডিসিন সার্ভিস চালু করা হবে। পূর্ব রাজাবাজার এলাকার সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে লকডাউনের বিষয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। ওই এলাকার নাজনিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোভিড-19 পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য বুথ স্থাপন করা হবে। এটি সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে। বুথটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক। লকডাউন যথাযথভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে ওই এলাকায় পুলিশের টহল থাকবে। মোবাইল কোর্টও পরিচালিত হবে। গুরুতর রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারবে।

জরুরি সেবা যেমন— বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা লকডাউন এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন। ডিএনসিসির বিশেষ পরিচ্ছন্নতা টিম সেখানে কাজ করবে। তবে ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী বা মেডিকেল বর্জ্য আলাদাভাবে প্যাকেট করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাছে দিতে হবে। মেডিক্যাল বর্জ্য কোনোভাবেই অন্যান্য বর্জ্যের সঙ্গে মেশানো যাবে না।


ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৬৪২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন