সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৭ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিশ্বকবি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০

rntagore.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর জীবন কাহিনী, লেখা সমস্ত কিছু নিয়ে রচিত হয়েছে অনেক কিছুই, তবুও স্বনামধন্য মানুষদের নিয়ে এমন কিছু তথ্য আছে যা নিয়ে কলম ধরেননি অনেকেই। তাই আজ বিশ্বকবিকে নিয়ে কয়েকটি অজানা তথ্য রইল-

>গান্ধীজি এবং রবীন্দ্রনাথের মধ্যে বিশেষ একটি সম্পর্ক ছিল, তা সকলেরই জানা। কিন্তু অল্প কয়েকজনই জানেন, গান্ধীজিকে ‘‌মহাত্মা’‌ নামটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরই দেওয়া।  

>অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। ১৯৩০–৩১ সালের মধ্যে এই দুই মহান ব্যক্তিত্ব চারবার একে–অপরের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা একে–অপরকে শুধু সম্মানই করতেন তা নয়, আইনস্টাইন এবং রবীন্দ্রনাথ দু’‌জনেই সঙ্গীত চর্চা সহ বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন।

>তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিশেষ পছন্দ করতেন না। তিনি তাঁর দাদা হেমেন্দ্রনাথের কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন। তিনি কোনো দিন কলেজে যাননি।

>১৯ শতকের শেষ এবং ২০ শতকের গোড়া এর মাঝেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৫টি মহাদেশ সহ ৩০টি দেশে ঘুরে বেড়ান এই ভ্রমন পিপাসু মানুষটি।

>শুধুমাত্র ভারত বা বংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও যে রবীন্দ্রনাথের কবিতা থেকে নেওয়া, এই তথ্য হয়ত কারোর জানা নেই। শ্রীলঙ্কার খ্যাতমান সংগীত ব্যক্তিত্ব আনন্দ সামারাকুন ১৯৩০ সালে বিশ্বভারতীতে চারুকলা ও সংগীত বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে এসেছিলেন। সেখানে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সান্নিধ্য পান। রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রিয় ছাত্র আনন্দ সামারাকুনের জন্য বাংলা ভাষায় ‘‌নমো নমো শ্রীলঙ্কা মাতা’‌ গানটি রচনা করেন এবং এর সুর দেন। সামারাকুন তারপর ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ শাসনাধীন শ্রীলঙ্কায় ফিরে যান এবং সিংহলি ভাষায় গানটি অনুবাদ করেন। যার প্রথম লাইন হচ্ছে ‘‌নমো নমো মাতা আপা শ্রীলঙ্কা নমো নমো মাতা, সুন্দর শ্রী বরণী’‌। ১৯৫১ সালে শ্রীলঙ্কায় এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়।

>নোবেল বিজয়ী কবি কিন্তু প্রত্যক্ষ ভাবে নোবেল নেননি। প্রথমে তাঁর হয়ে ব্রিটিশ অ্যাম্বাসাডর নোবেল গ্রহন করেছিলেন তারপর কবির হাতে হস্তান্তরিত করা হয়।

>শুধুমাত্র ২০০০ টি রবীন্দ্র সঙ্গীত রচনা করেছিলেন তাই নয়, ইংলিশ, আইরিশ ও স্কটিশ সঙ্গীতের উপর দক্ষতা ছিল তাঁর।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // রি সু এই লেখাটি ৫২৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন