সর্বশেষ
শনিবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৭ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সঠিকভাবে ধারণ করেছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২০

16.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না।

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সঠিকভাবে ধারণ করেছিলেন আমার মা। দেশের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে দিয়ে গিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন বঙ্গমাতা। মা পরিবারকে দেখে রেখেছেন। এতে আমার বাবা দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।

একাত্তরের ১৫ আগস্টের ঘটনা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন জাতির পিতাকে হত্যা করা হলো, তখন তিনি সেখানে যেতে চেয়েছিলেন। ঘাতকদের কাছে তিনি জীবন ভিক্ষা চাননি। কিন্তু সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়।

শেখ হাসিনা বঙ্গমাতার সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘ত্যাগের মধ্যে দিয়ে একটা সংসারকে সুন্দর করা যায়, একটা প্রতিষ্ঠানকে সুন্দর করা যায়, একটা দেশকে সুন্দর করা যায়। চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া—এর চেয়ে বড় আর কিছু হয় না। আমার মা সেই দৃষ্টান্তই দেখিয়ে গেছেন। ’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মহীয়সী নারী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর এবং বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সহযোদ্ধা। বঙ্গমাতা অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বসংহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী ছিলেন এবং আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে বঙ্গমাতার জন্মদিন। সেই জন্মের পর ৩ বছর থেকেই পিতা-মাতা সব হারিয়ে সারাটা জীবন শুধু সংগ্রামই করে গেছেন। কষ্টই করে গেছেন। কিন্তু এই দেশের স্বাধীনতা, এই স্বাধীনতার জন্য তিনি যে কত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন সেটা আমরা জানি। এই দেশ স্বাধীন হবে, বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি আসবে, বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে। ’

সংসার সামলে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে তার সহধর্মিনী সহযোগিতা করতেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি কাজে আমার মাকেও দেখেছি বাবার পাশে থেকে থেকে সহযোগিতা করেছেন। কখনো সংসারের কোন সমস্যা নিয়ে বিরক্ত করেননি বা বলেনওনি। বরং বেশিরভাগ সময়ই তো আমার বাবা কারাগারে ছিলেন। একটানা দুই বছরও তিনি কারাগারের বাইরে থাকেননি। কিন্তু আমার মা যখন কারাগারে দেখা করতে যেতেন তখন মা নিজেই বলতেন চিন্তার কিছু নেই। সব কিছু তিনি নিজেই দেখতেন। ’

এদিকে বেগম মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে। বনানী কবরস্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো বঙ্গমাতা শহীদ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য অপর্ণ, কোরান খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।


ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ৩১২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন