সর্বশেষ
শুক্রবার ১৩ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ | ২৭ নভেম্বর ২০২০

আগাম শীতে ব্যস্ততা বাড়ছে লেপ-তোষকের কারিগরদের

সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০২০

Mattresses.jpg
জয়পুরহাট প্রতিনিধি :

রাতে ঠান্ডা অনুভূতি ও ভোরবেলার হালকা কুয়াশায় জানান দিচ্ছে শীতের আগমন। পুরোপুরি শীত শুরু না হলেও পাওয়া যাচ্ছে শীতের আমেজ। একটু বাতাস বইলেই কেপে উঠছে শরীর। শীতের আগমনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন জয়পুরহাটের লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা।

জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আগাম শীত জেঁকে বসার কারণে অধিক মুনাফা ও বেশি বিক্রির আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করে লেপ-তোষক তৈরি করে যাচ্ছেন কারিগররা। মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষেরা শীত মোকাবেলায় লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে ভীড় করতে শুরু করেছেন। বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় খোশমেজাজে দিন কাটাচ্ছে কারিগর ও লেপ-তোষক ব্যবসায়ীরা। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথা সময়ে সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন কারিগররা।

প্রতিদিন একজন কারিগর ৮-১০টি লেপ তৈরি করেন। শীত মৌসুমে জেলার প্রায় ৫০ জন কারিগর লেপ-তোষক তৈরি করে পারিশ্রমিকের সঞ্চয় জমা করেন। মাঝারি ধরনের একটি লেপ বানাতে খরচ হয় ১৪’শ থেকে ২ হাজার টাকা ও তোষক বানাতে খরচ হয় ২ হাজার থেকে ২৬’শ টাকা টাকা। তবে তুলার প্রকারভেদে লেপ-তোষকের দাম কমবেশি হয়। এই মৌসুমে শিমুল তুলা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩’শ থেকে ৩৫০ টাকা, কার্পাস তুলা ২’শ টাকা এবং গার্মেন্টস তুলা ২৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা।

মোঃ আলম নামের এক কারিগর বলেন, ‘মহাজনের কাছ থেকে লেপ ও তোষক প্রতি ২’শ থেকে ২৫০ টাকা, গদি প্রতি ৩’শ থেকে ৫’শ টাকা মজুরি পাওয়া যায়। শীতের প্রভাব শুরু হওয়ায় বেশ ভালো কাজ পাচ্ছি। তবে সপ্তাহ থেকে ব্যস্ততা বাড়লেও করোনার প্রভাবে গত বছরের তুলনায় এবার কাজ কিছুটা কম হচ্ছে।’

লেপ কিনতে আসা মোছাঃ মর্জিনা নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘ রাতে শীতের মাত্রা বেশ বেড়ে গেছে। সামনে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে তাই আগেই লেপ তৈরির অর্ডার দিতে আসছি।’

সুলতান নাসির উদ্দিন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘শীতের মৌসুম আসায় আগাম লেপ অর্ডার দিতে আসছি। শিমুলের তুলা, সাড়ে ৩’শ টাকা কেজি। আগের তুলনায় তুলার দামের বাজার ও কাপড়ের দামও বেশি। আগে কারিগরদের মজুরি ২’শ ৫০ টাকা দিতাম কিন্তু এখন ৩’শ টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে।’

রাজু বেডিং হাউজের মাালিক ওয়াহিদ আলী বলেন, ‘প্রতিদিন ৮-১০টি গদি, ১০-১২ তোষক এবং ১৫টি পর্যন্ত লেপ বিক্রি হচ্ছে। করোনার প্রভাবে এবার তুলার দাম কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা বেড়েছে। তবে, সম্প্রতি লেপ তোষকের অর্ডার বেড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০টি লেপ তোষক তৈরির অর্ডার পাচ্ছি এবং লেপ-তোষক তৈরিকে কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।’

চম্পক কুমার, জয়পুরহাট প্রতিনিধি।


ঢাকা, সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // উ জ এই লেখাটি ৩৩০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন