সর্বশেষ
সোমবার ২৪শে ফাল্গুন ১৪২৭ | ০৮ মার্চ ২০২১

চলে গেলেন অভিনেতা মজিবুর রহমান দিলু

মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১

24.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বিশিষ্ট অভিনেতা, নাট্য পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান দিলু না ফেরার দেশে চলে গেলেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি)  সকাল ৬টা ৪৫মিনিটে রাজধানী ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয় অভিনেতা মুজিবুর রহমান দিলুকে। ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ডা. ওমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন এ অভিনেতা। 

গতকাল তার ছেলে অয়ন রহমান জানিয়েছিলেন, ‘আব্বুর শারীরিক অবস্থা এখন ভালো নয়। ফুসফুসের সংক্রমণ খারাপের দিকে যাচ্ছে, যা খুবই উদ্বেগের। ফুসফুসের ৭০ ভাগই আক্রান্ত হয়েছিল। এরই মধ্যে তার শরীরে প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। কভিড ১৯ নেগেটিভ হলেও সন্দেহ থেকেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের ‘সংশপ্তক’ নাটকে বড় মালু চরিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হন মজিবুর রহমান দিলু। অনেকে তাঁকে বড় মালু নামেই চেনেন।  

দিলু প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ঢাকার ড্রামা নামে একটি নাট্যগোষ্ঠী। নাট্যকার আতাউর রহমান তাঁর বড় ভাই।

স্কুলে পড়ার সময়ই স্বাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে যে মিছিলে গুলিতে আসাদ শহীদ হয়েছিলেন সেই মিছিলে ছিলেন দিলুও। ১৯৭০ সালে মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েই যুদ্ধে চলে যান তিনি। ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে ঢাকায় সরাসরি রণাঙ্গনে ছিলেন তিনি। নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ছিলেন সেকেন্ড ইন কমান্ড। সেসময় তিনি ঢাকায় কয়েকটি দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, দিলুর অভিনয় শুরু মঞ্চ থেকে। ১৯৭২ সালে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হন তিনি। ১৯৭৬ থেকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। মাঝে দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো- ‘তথাপি’, ‘সময় অসময়’, ‘সংশপ্তক’ প্রভৃতি। মঞ্চে ‘আমি গাধা বলছি’, ‘নানা রঙের দিনগুলি’, ‘জনতার রঙ্গশালা’ প্রভৃতি।


ঢাকা, মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ৫১৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন