সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১লা ভাদ্র ১৪২৫ | ১৬ আগস্ট ২০১৮

সমাধানে আসুন কথোপকথনে

শুক্রবার, মে ২৯, ২০১৫

113972011_1432896733.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ভালোবাসার শুরুতে মনের উষ্ণতা থাকলেও দুজনেই থাকেন একদমই নিরুত্তাপ। সামান্য ইশারা, একটু মিষ্টি হাসি বা মৃদু সাড়াতে প্রশান্তি মেলে অনেক খানি। হৃদয়ের কোমলতা এতটাই বেশি থাকে যে কথা বাড়িয়ে শব্দদূষণের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সম্পর্কের পরিপক্কতা যত বাড়ে, মৃদু মনের দেয়ালগুলো আগের চেয়ে শক্ত হতে থাকে। বিয়ে বা প্রেমের কয়েক বছর পর ইশারা বা ইঙ্গিতে আর কাজ হয় না। কোনো সমস্যা হলেই, তা আলোচনা বা কথোপকথনের মাধ্যমে সমাধানে আসতে হয়।

অনেকের আবার কথোপকথনে মাথা ঠাণ্ডা রেখে দুজনের কথা শোনার মতো মানসিকতা থাকে না। নিজের যুক্তিকে বাস্তবায়িত করার প্রবণতায় ছোটখাট মান অভিমানও রূপ নেয় বড় ঝগড়ায়। কেউ আবার চুপ থাকাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু কিছু ব্যাপারে নীরবতা ভবিষ্যত ঘুর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।

বিভিন্ন গবেষণা প্রমাণ করে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোগাযোগের অভাবে হার্টের সমস্যা হতে পারে। পারস্পরিক যোগাযোগের অভাবে পরস্পরের প্রতি অসহনীয়তাও বৃদ্ধি পায়। ফলে দূরত্ব বেড়ে চলে।

অপরদিকে সঙ্গীর সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মান অভিমান, সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি মেলে। সঙ্গীর সঙ্গে সব বিষয়ে কথা বলুন। তার সঙ্গে সারাদিনে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো শেয়ার করুন। সে আপনাকে তার নিজের করে ভাবতে শিখবে। সুন্দর সর্ম্পকের ক্ষেত্রে একে অপরের প্রতি কমিটেড থাকাও খুব জরুরি। যদি কোন বিষয়ে মনে কষ্ট পেয়েও থাকেন, তা সরাসরি সঙ্গীকে বলুন। মনে চেপে রাখলে বিকট শব্দে বিষ্ফোরণ ঘটতে পারে। আপনার সঙ্গীর প্রতিটি ছোট বড় কাজের প্রশংসা করুন। সমস্ত রাগ অভিমানের উর্ধ্বে গিয়ে সঙ্গীকে ভালোবাসুন। তাকে বুঝতে দিন আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন।

ঢাকা, শুক্রবার, মে ২৯, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // এম এস এই লেখাটি ৯৫৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন