সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ২০ নভেম্বর ২০১৮

ইরান–সৌদি উত্তেজনা কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

আলী রীয়াজ

শুক্রবার, জানুয়ারী ৮, ২০১৬

1163076446_1452241673.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সৌদি আরব কর্তৃক শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা শেখ নিমর–আল নিমরের ফাঁসি এবং তাঁর বিরুদ্ধে ইরানে বিক্ষোভ, সৌদি দূতাবাস ও কনস্যুলেটে অগ্নিসংযোগ ও ইরানের নেতাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েনের সূচনা হয়েছে, তা এখন আর দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ইতিমধ্যে দুই দেশের পক্ষে, বিশেষ করে সৌদি আরবের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো অবস্থান নিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ইরানের পক্ষেও জনমত আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন আল নিমরের ফাঁসির তীব্র সমালোচনা করেছে। তারা একই সঙ্গে ইরান ও সৌদি আরবকে সংযম দেখাতে বলেছে।

বছরের শুরুতেই যে ৪৭ জনের ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়েছে, তার মধ্যে শেখ নিমর আল–নিমরসহ চারজন শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্য রয়েছেন। শিয়া সম্প্রদায়ের একজন ধর্মীয় নেতার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রদায়গত বিভক্তির আগুনে যে ঘৃতাহুতি দেওয়া হয়েছে, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শিয়া-সুন্নি পার্থক্যকে সামনে আনা কিংবা সেই পার্থক্যকে রাজনৈতিক বিভক্তির উপাদান হিসেবে ব্যবহারের ঘটনা এ অঞ্চলে নতুন কিছু নয়, কিন্তু অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অস্থিতিশীল এবং চলমান একাধিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই সম্প্রদায়গত বিভক্তি যদি আঞ্চলিক রাজনীতির প্রত্যক্ষ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়, তবে তা শেষ পর্যন্ত এক নিয়ন্ত্রণহীন দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক সংঘাতে পরিণত হবে, সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। এ কথা বোঝা এত সহজ হওয়া সত্ত্বেও সৌদি আরব কেন শেখ নিমরকে ফাঁসি দেওয়ার ঝুঁকি নিয়েছে, বিপরীতক্রমে ইরানের নেতারা কেন এত কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন, সে বিষয়ে আলোচনা আমাদের এটা বুঝতে সাহায্য করবে যে এর আশু প্রতিক্রিয়া কী হবে।

শেখ নিমরকে ফাঁসি প্রদান ও তা কার্যকর করার সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যকে প্রভাবিত করার জরুরি তাগিদ। সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ক্ষমতার টানাপোড়েন চলছে বলে অতীতে অনেকবার শোনা গেলেও সম্ভবত এখন তা যতটা সত্য তা আগে কখনোই ছিল না। গত বছর জানুয়ারি মাসে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন। দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে আসন্ন ঘাটতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যহ্রাস, রাজপরিবারের ভেতরে ক্ষমতার টানাপোড়েন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের ইঙ্গিত যেমন তাঁকে সংস্কারের পথে চালিত করে, তেমনি ‘আরব বসন্তের’ প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব ইতিবাচক ও নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে, বিশেষ করে ইরানের প্রভাব বলয়ের যে বিস্তার ঘটেছে, সেটিও এই সংস্কারের উদ্যোগের কারণ।

তিনি ক্ষমতাকাঠামোতে বদল করে দুটি শক্তিশালী কাউন্সিল গঠন করেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ এবং তার চাচাতো ভাই উপ-যুবরাজ বা ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এই দুই কাউন্সিলের প্রধান হন। বাদশাহ সালমানের পছন্দের ছেলে তুলনামূলকভাবে তরুণ বিন সালমান, যাঁর বয়স ২৯ থেকে ৩২-এর মধ্যে, কেবল অর্থনীতির সংস্কারের কাজেই হাত দেন তা নয়, দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতির নির্ধারক হিসেবেও তাঁর উত্থান ঘটে। সৌদি বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দেখলেই বোঝা যায় দেশটির আসন্ন অর্থনৈতিক সংকটের চেহারা—২০১৬ সালে বাজেটে ৮৭ বিলিয়ন ডলার ঘাটতির অনুমান করা হচ্ছে, ২০১৫ সালে তা ছিল ৯৬ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪ সালে ছিল ১৮ বিলিয়ন ডলার। এই ঘাটতি মোকাবিলায় তেলের ওপরে দেওয়া ভর্তুকি হ্রাস করা হয়েছে, নাগরিকদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দেওয়া ভর্তুকিও কমানো হয়েছে এবং নাগরিকদের ওপর কর আরোপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বেকারত্বের হার ১২ শতাংশ, অনেকেই এই হার আরও অনেক বেশি বলেই দাবি করেন।

এসব সংকটের কারণে দেশের অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়ছে, কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংস্কারের কথা সত্ত্বেও সৌদি রাজনৈতিক ব্যবস্থা অংশগ্রহণমূলক তো নয়ই, এমনকি মৌলিক অধিকার পর্যন্ত সেখানে অনুপস্থিত, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নই ওঠে না। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার উপস্থিতি এবং সমাজের একাংশের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতার পেছনে অনেকেই এই পরিস্থিতিকে দায়ী করেন। কিন্তু অন্যদিকে আল-কায়েদার উপস্থিতি সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে করে তুলেছে ভয়াবহ শক্তিশালী। সৌদি সরকার একই সঙ্গে যে ৪৭ জনকে ফাঁসি দিয়েছে তার মধ্যে ৪৩ জনের বিরুদ্ধেই আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার এবং সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ ছিল। সুন্নি সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি শিয়া সম্প্রদায়ের পরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সৌদি প্রশাসন তার সুন্নি সমর্থকদের কাছ থেকে সমর্থন নিশ্চিত করতে চেয়েছে। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ সমালোচকদের কাছে এই বার্তাই দিতে চেয়েছে যে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে দ্বিধান্বিত হবে না। প্রাসঙ্গিকভাবে আমাদের স্মরণ করতে হবে যে শেখ নিমর সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন উচ্চকণ্ঠ, কিন্তু কখনোই সহিংসতার পক্ষে বক্তব্য রাখেননি। শুধু তা-ই নয়, আওয়ামিয়া অঞ্চলের দুই প্রধান শিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ২০০৮ সাল থেকে এবং ২০১১ সালের ‘আরব বসন্ত’-এর পরে স্বাধীন কণ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তাঁকে আটক করার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, পুলিশ অভিযোগ করেছিল যে তাঁর অনুসারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, কিন্তু তাঁর পরিবার দাবি করে যে শেখ নিমর সংঘাতে বিশ্বাসী ছিলেন না। তাঁর বিচার-প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ ছিল বললে কম বলা হয়।

গত কয়েক বছরের আঞ্চলিক রাজনীতির ঘটনাপ্রবাহ লক্ষ করলে এটা বোঝা কষ্টকর হয় না যে শেখ নিমরকে ফাঁসি দেওয়ার পেছনে কাজ করেছে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্ব। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ১৯৭০-এর দশকের প্রায় শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে ইরান ও সৌদি আরব একত্রে কাজ করেছে, যদিও তাদের মধ্যে একধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। সেই অবস্থার বদল ঘটে ১৯৭৯ সালে ইরানের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতির কারণে সৌদি আরব হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং এই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাবের হাতিয়ার। পারস্পরিক স্বার্থই এই মৈত্রী টিকিয়ে রাখে। যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে (এবং অন্য আরও অনেক অঞ্চলে) গণতন্ত্র, মানবাধিকার, নাগরিকদের ব্যক্তিস্বাধীনতার বদলে স্থিতিশীলতা, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থ, স্নায়ুযুদ্ধের বিবেচনা এবং ইসরায়েলের ‘অস্তিত্ব রক্ষার’ বিবেচনা দ্বারা পরিচালিত হয়। তাতে করে একধরনের স্থিতিশীল আঞ্চলিক কাঠামো তৈরি হয় কিন্তু গোটা অঞ্চলে স্বৈরাচারী একনায়ক এবং রাজতন্ত্রের জোয়াল চেপে বসে। শুধু তাই নয়, সৌদি আরব ইরানের প্রভাব রোধের জন্য বিশ্বজুড়ে সুন্নিদের একটি ঐক্য তৈরির চেষ্টা চালায়। সৌদি আরব ওয়াহাবি আদর্শের বিস্তারেও মনোনিবেশ করে, যাকে তারা শিয়া প্রভাব মোকাবিলার হাতিয়ার বলে বিবেচনা করে। ইরান-সৌদি আরবের এই টানাপোড়েন চলতেই থাকে, ১৯৯০-এর দশকে এসে সম্পর্কের উন্নতি ঘটে।

গত কয়েক দশকে এই অঞ্চলে নাটকীয় পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। প্রথমত, স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে গোড়াতে যে এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা অচিরেই ভেঙে পড়ে এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলো তাদের নিজ নিজ প্রভাব বাড়াতে চায়। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ফলে সাদ্দাম হোসেন সরকারেরই কেবল পতন ঘটেনি, সেখানে সম্পূর্ণভাবে ইরানের আধিপত্য তৈরি হয় শিয়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতা লাভের মধ্য দিয়ে। দ্বিতীয়ত, ২০১১ সালে কথিত আরব বসন্তের প্রভাবে গোটা এলাকায় বিরাজমান আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্যের কাঠামো ভেঙে পড়ে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে যে দৃষ্টিভঙ্গিটি গ্রহণ করেন তা হলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে আগের তুলনায় কম সংশ্লিষ্টতা এবং স্থিতিশীলতার বদলে দেশগুলোর মানুষের নিজস্ব ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের পথে বাধা না দেওয়া। যদিও অনেকেই তখন এই বলে হুঁশিয়ার করেন যে তাতে করে এই অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতির সূচনা হবে, কিন্তু এই যুক্তিও ছিল যে প্রাথমিকভাবে বিশৃঙ্খলার পরে সেখানে নাগরিকদের অংশগ্রহণমূলক একটি রাজনীতিক কাঠামো গড়ে উঠবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে ইতিবাচক।

এই প্রেক্ষাপটেই সিরিয়া, ইয়েমেনের সংঘাতের সূচনা এবং আইএসের উত্থান ঘটেছে। এখন ইরান যেমন তার প্রভাববলয় বাড়াতে সচেষ্ট তেমনি সৌদি আরব ও তুরস্কও তাদের প্রভাব বাড়াতে চায়। ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের উত্থানের ক্ষেত্রে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পশ্চিমাদের ভুল নীতি দুই-ই সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে। গত কয়েক বছরে ধরে, বিশেষ করে গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কে উষ্ণতা তৈরি হয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ–বিষয়ক চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হবে। তদুপরি সাম্প্রতিক কালে রাশিয়া এ অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত সিরিয়া সরকারের পক্ষে সামরিকভাবে অবস্থান নেওয়ার পর সৌদি আরব সংকটাপন্ন বোধ করছে। তারা মনে করছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটা দূরত্ব তৈরি করা সম্ভব হলেই কেবল ইরানের প্রভাব বিস্তারের পথ বন্ধ করা যাবে। সেই বিবেচনা থেকেই সৌদি সরকার এ অঞ্চলে মার্কিনদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের একত্র করে ইরানের একটি প্রতিপক্ষ শক্তিকাঠামো দাঁড় করাতে চাইছে। এযাবৎকালের যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে দেখা যায় যে সেই উদ্দেশ্যেই সৌদি আরব সম্প্রতি সুন্নি দেশগুলোর একটি সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ নেয়। এই জোট গঠনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যথাযথ পরামর্শ করা হয়েছিল এমন কোনো লক্ষণ নেই। উপরন্তু তার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা।

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার একটা বড় প্রভাব পড়বে সিরিয়ায় যুদ্ধাবসানের লক্ষ্যে যে কূটনৈতিক উদ্যোগ চলছে, তার ওপর। শুধু তা–ই নয়, আইএসের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের ওপর তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ার আশঙ্কাকেও বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু সৌদি আরব এখন পর্যন্ত একে তাদের স্বার্থের বাইরে ইরানের সঙ্গে বিশ্ব সম্প্রদায়ের টানাপোড়েনে পরিণত করতে পারেনি, সেহেতু এর আশু প্রতিক্রিয়া হবে সীমিত। কিন্তু যেমনটি আগেই বলেছি এই সম্প্রদায়গত বিভক্তি যদি আঞ্চলিক রাজনীতির প্রত্যক্ষ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়, সৌদি আরব ও ইরান দুই পক্ষই যদি সেই পথে পা বাড়ায়, তবে আমরা বিরাজমান সংঘাতের এক রূপান্তরের মুখে আছি।

লেখক: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।

ঢাকা, শুক্রবার, জানুয়ারী ৮, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // আর কে এই লেখাটি ৯৮৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন