সর্বশেষ
সোমবার ১১ই আষাঢ় ১৪২৫ | ২৫ জুন ২০১৮

রামেক হাসপাতালে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

বুধবার, নভেম্বর ২, ২০১৬

815227062_1478083756.jpg
রাজশাহী ব্যুরো :
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন ভবনে ‘বাঁশ ব্যবহারের’ ঘটনায় তদন্তে কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বিকালে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয় বলে জানান হাসপাতালের উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার হাসপাতাল ভবনের লিফটের পাশে টাইলস উঠে বাঁশ বেরিয়ে আসলে হাসপাতাল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে এই বিষয় নিয়ে তোলপাল শুরু হয়। পরে মঙ্গলবার বিকালে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এরপর মিস্ত্রি দিয়ে বাঁশ তুলে ওই জায়গা বালি সিমেন্ট দিয়ে ভরাট করে দেয়া হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫৩০ শয্যা হতে ১০০০ শয্যায় উন্নীতকরণ করা হয়। ভবনের মূল নির্মাণকাজের সঙ্গে এই বাঁশ যুক্ত নয় বলে দাবি করেছেন নির্মাণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।

উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোসাদ্দেক হোসেনকে প্রধান, রাজশাহী গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী লতিফুল ইসলামকে সদস্য সচিব এবং রাজশাহী গণপূর্ত অধিদপ্তরের বৈদ্যুতিক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ মাহমুদকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৫ কোটি টাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনটি নির্মাণ করে। এর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ছিল ‘মার্ক বিল্ডার’। সোমবার রাতে ওই ভবনের তৃতীয় তলার একটি লিফটের পাশের টাইলস উঠে গেলে বাঁশ বেরিয়ে আসে।

পরিদর্শন শেষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী লতিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা নয়। মূল ভবনের সঙ্গে লিফট স্থাপনের সময় কিছুটা স্থান ফাঁকা ছিল। সেই স্থানটিতে প্লাস্টার করে টাইলস বসানোর জন্য বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের সমস্যা হবে না।”

ভবন নির্মাণ শিডিউলে বাঁশ ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে কি না জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আমান উল্লাহ বলেন, বাঁশ নয়, ওখানে স্টিলের একটা পাত দিতে হতো।  

সাধারণত নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীরা এটা দেখে থাকেন। এই ভবন নির্মাণ কাজ চলার সময় তিনজন নির্বাহী প্রকৌশলী রাজশাহীতে দায়িত্বে ছিলেন। তাদের নজর এড়িয়ে কীভাবে সেখানে বাঁশের ব্যবহার হলো তা খতিয়ে দেখা হবে।


ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ২, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৫৯০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন