সর্বশেষ
সোমবার ১৩ই ফাল্গুন ১৪২৪ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

মনকে প্রশান্তি দিতে যেতে পারেন কাপ্তাই লেক

শুক্রবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭

332068575_1487341766.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
কাপ্তাই লেককে ঘিরেই মূলত রাঙামাটি জেলার পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। এই লেকের উপর রয়েছে বিখ্যাত ঝুলন্ত ব্রীজ। লেকের দুই ধারই পাহাড়-টিলা দিয়ে ঘেরা। ট্রলার ভাড়া করে লেকে ভ্রমণ করা যায়।

ট্রলারে করে যাওয়া যায় শুভলং জলপ্রাপাতে। লেকের পাড়ে রয়েছে নতুন চাকমা রাজবাড়ি ও বৌদ্ধ মন্দির। পুরাতন চাকমা রাজবাড়ি কাপ্তাই বাঁধ নির্মানের সময় লেকে তলিয়ে যায়। রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত, যা পূণার্থী এবং দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।

কাপ্তাই হ্রদ মূলত কর্ণফুলী হ্রদের আঞ্চলিক নাম। ২৫৬ বর্গমাইল আয়তনের দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত এই কৃত্রিম হ্রদ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। উঁচু-নিচু পাহাড়-পর্বত, পাহাড়ি ঝরনাধারা, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা, অথৈ পানি আর সবুজের সমারোহ, গাঢ়-সবুজ বন, গাছ-গাছালি ফুল-ফল আর উপজাতিদের জীবনধারা কাপ্তাই লেকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

নানা প্রজাতির মাছ ও জীববৈচিত্র্যের এক সমৃদ্ধ প্রাণভাণ্ডার এই হ্রদ। এখানে আছে পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু, কৃষি খামার, শুভলং ঝরনা ও নৈসর্গিক সৌন্দর্য, পেদা টিংটিং রেস্টুরেন্ট, সাংফাং রেস্টুরেন্ট, চাকমা রাজার রাজবাড়ি, রাজ বনবিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, জেলা প্রশাসকের বাংলো, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সমাধি সৌধ এবং উপজাতি পাড়া ও জীবনযাত্রার দৃশ্য।
 
জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে তৈরি হলেও মৎস্য উৎপাদন, দেশি-বিদেশি মুদ্রা উপার্জন, স্থানীয়দের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জীবন-জীবিকা থেকে শুরু করে দেশের সামগ্রিক মৎস্যক্ষেত্রে কাপ্তাই লেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
Image result for কাপ্তাই লেক
কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টি হওয়ার কারণে রাঙামাটিতে গড়ে ওঠে আকর্ষণীয় অনেক পর্যটন কেন্দ্র। ৭০ দশকের শেষদিকে সরকার রাঙামাটি জেলাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে এবং পর্যটন করপোরেশন পর্যটকদের সুবিধার্থে আকর্ষণীয় স্পট স্থাপন করে।

প্রয়োজনীয় তথ্য: কাপ্তাই লেকে ভ্রমণ দুটো পথে করা যায়। কাপ্তাই জেটি হয়ে রাঙামাটি জেলা সদর হয়ে কাপ্তাই লেকে ভ্রমণের জন্য আছে দেশি বোট এবং কাঠের তৈরি লঞ্চ।

ভাড়া বোট বা নৌকা ভেদে পার্থক্য রয়েছে। ছোট-মাঝারি প্রতি ঘণ্টা ১৫০ টাকা।

রাঙামাটিতে রাতের থাকার জন্য আছে পর্যটন মোটেল, অরণ্যক রির্সোট, হোটেল প্রিন্স, হোটেল সুফিয়া। দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজের জন্য কাপ্তাই লেকে মাঝখানে ছোট ছোট দ্বীপে কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে।

Image result for কাপ্তাই লেক

ঢাকা, শুক্রবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি 1554 বার পড়া হয়েছে